1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১২ বার দেখা হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা, বুধবার, ২৬ নভেম্বর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচার নিয়ে ‘বিরূপ মন্তব্যের’ অভিযোগে বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আদালত অবমাননার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। প্রসিকিউশন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে গাজি এম এইচ তামিম জানিয়েছেন, গত শনিবার (২৩ নভেম্বর) ফজলুর রহমান একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশগ্রহণ করেন এবং ট্রাইব্যুনালের গঠন ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “আমি প্রথম দিন থেকেই বলছি, এই কোর্ট আমি মানি না।” পরে উপস্থাপকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরও বলেন, “সবাই জানে, জানবে না কেন? আমার ইউটিউব শুনুন, আমি এই কোর্ট মানি না। এই কোর্টের বিচার আমি মানি না, ইউটিউবে বলেছি, টকশো’তে বলেছি। যদি না বলে থাকি এখন বললে আমার ভুল, মাফ চাইব। প্রতিদিন বলছি এই কোর্টের বিচার আমি মানি না। এই কোর্টের গঠন প্রক্রিয়া বলে এই কোর্টে বিচার হতে পারে না।” প্রসিকিউশনের অভিযোগ, ওই অনুষ্ঠানে তিনি আরও অনেক মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করেছেন।

আদালত অবমাননার অভিযোগে আগামী রবিবার (৩০ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। প্রসিকিউশন জানিয়েছে, ফজলুর রহমানের এ ধরনের বক্তব্য ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রমকে অবজ্ঞা করার সমতুল্য এবং এতে বিচারক ও বিচার প্রার্থীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়েছে, আদালত অবমাননার অভিযোগে দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি এক বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনালের নীতি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি বিচার কার্যক্রমের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানায়, আদালত অবমাননার অভিযোগ মূলত বিচার প্রক্রিয়ার প্রতি জনসাধারণের আস্থা রক্ষার উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা কেবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, বরং বিচার ব্যবস্থার সঠিকতা এবং সম্মান রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে কাজ করে।

ফজলুর রহমানের মন্তব্য ও প্রসিকিউশনের অভিযোগ দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনমনের প্রতিক্রিয়াকে কেন্দ্র করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই মামলার রায় ট্রাইব্যুনালের কার্যকারিতা এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনমনের আস্থা কতটা বজায় থাকে, তা প্রমাণ করবে।

এদিকে, রাজনৈতিক ও আইনি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আদালত অবমাননার মতো অভিযোগের প্রক্রিয়া ট্রাইব্যুনালের যথাযথ কার্যক্রম নিশ্চিত করার একটি মাধ্যম। একই সঙ্গে, এটি বিচার ব্যবস্থার প্রতি রাজনৈতিক নেতাদের দায়বদ্ধতা এবং বক্তব্যের সীমা নির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগের শুনানি শেষ হলে, তার মন্তব্য ও প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত প্রমাণের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এ ঘটনায় বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও আদালতের মর্যাদা রক্ষার দিকটি দেশের আইন ও বিচার ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026