1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গাঁজা আত্মসাতের অভিযোগে কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার ওসি প্রত্যাহার গণতন্ত্র সুসংহতকরণ ও দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ব্যবসা থেকে ট্রাম্পের শত কোটি ডলার আয়, স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ অস্বীকার হোয়াইট হাউজের ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ছয় দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে ৩ বছরের শিশু জীবিত উদ্ধার মেক্সিকোকে নকআউটের টিকিট এনে দিল কিনিয়োনেস ও জিমেনেজ ভারতের ৩১তম সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ মুন্সীগঞ্জে পাঁচ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ইসরায়েলে মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধের বিল পাসের উদ্যোগ, লেবাননে অবস্থান জোরদারের ঘোষণা নেতানিয়াহুর নকআউটের দীর্ঘদিনের খরা কাটাল ব্রাজিল জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বের নির্দেশ

গাঁজা আত্মসাতের অভিযোগে কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার ওসি প্রত্যাহার

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

সারাদেশ ডেস্ক

কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল বারীকে তাঁর বর্তমান দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। থানা পুলিশের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ জব্দকৃত গাঁজা বিক্রির অভিযোগ ওঠার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। গতকাল মঙ্গলবার কুমিল্লার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, দাউদকান্দি মডেল থানার দুজন উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধে ১৬০ কেজি জব্দকৃত গাঁজা উদ্ধার দেখিয়ে তা কালোবাজারে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। গত সোমবার সন্ধ্যায় এই খবরটি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দা এবং সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে।

প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা এবং সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে। বিভাগীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে ওসির বিরুদ্ধে এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ এবং প্রত্যাহারের বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছেন দাউদকান্দি মডেল থানার বিদায়ী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল বারী। গণমাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে তাঁর বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি জেলা পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁর আপত্তির কথা জানিয়েছেন এবং বিষয়টি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছেন।

ওসি আবদুল বারী তাঁর বিবৃতিতে আরও দাবি করেন, দাউদকান্দি মডেল থানায় তাঁর থাকাকালীন সময়ে এ ধরনের কোনো বেআইনি ঘটনা সংঘটিত হয়নি। ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত কোনো বিশেষ বিদ্বেষ থেকে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে গণমাধ্যমে এই বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি আইনগত ও বিভাগীয় যেকোনো শাস্তি বা চাকরি ছাড়তেও প্রস্তুত আছেন বলে জানান, তবে এই ধরনের অপবাদ নিয়ে কর্মস্থল ছাড়তে তিনি মানসিকভাবে প্রস্তুত নন।

পুলিশ প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছে, থানার প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে ওসির অধীনে কর্মরত উপপরিদর্শকদের এমন গুরুতর অপরাধের দায়ভার এবং প্রশাসনিক গাফিলতির বিষয়টি এড়ানো যায় না। জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাদকের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। পুলিশের কোনো সদস্যের অপরাধের কারণে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি যাতে সংকটে না পড়ে, সেজন্যই এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ। অভিযুক্ত অন্য দুই উপপরিদর্শকের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর দোষীদের বিরুদ্ধে স্থায়ী আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে দাউদকান্দি মডেল থানার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত দাপ্তরিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে পরিচালনার বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026