1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
উদীয়মান বৈশ্বিক হুমকি মোকাবিলায় আসিয়ান ও টিএসির সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন ও সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের তাগিদ পানিসম্পদ মন্ত্রীর মার্কিন নতুন শুল্কে বাণিজ্য পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী কুনমিং-চট্টগ্রাম সড়ক সংযোগ ও ফ্রি শিশু হৃদরোগ চিকিৎসা শিবিরের সমাপনী মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১,১৩৭ কাকরাইলে ঢাকা জেলা জামায়াতের রুকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় সংসদ স্পিকারের জরুরি সংবাদ সম্মেলন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে কিছু জানি না: স্পিকার

নৈতিক স্খলনের অভিযোগে জামায়াত থেকে এমপি বহিষ্কার, পদ শূন্য হওয়া নিয়ে ইসির ব্যাখ্যা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত ভিডিও কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিতর্কের জেরে নৈতিক স্খলনের অভিযোগে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে দলীয় বহিষ্কারের কারণেই সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের আসনটি সরাসরি শূন্য হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘটনাটি সামাজিকভাবে ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সাংবাদিকেদের এ বিষয়ে সাংবিধানিক ও আইনি ব্যাখ্যার বিশদ তথ্য জানান। তিনি স্পষ্ট করেন যে, রাজনৈতিক দল থেকে কাউকে বহিষ্কার করলেই আইন অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর সংসদীয় আসন বাতিল হয়ে যায় না। এর জন্য নির্দিষ্ট ও নির্ধারিত সাংবিধানিক ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার জানান, এ ধরনের কোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের পর যদি জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার বা জাতীয় সংসদ নির্বাচন কমিশনের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা বা সিদ্ধান্তের জন্য চিঠি পাঠায়, তবেই কমিশন পদক্ষেপ নেবে। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দুই পক্ষের বক্তব্য বা শুনানি গ্রহণ করা হবে। পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এবং বিদ্যমান নির্বাচন সংক্রান্ত আইনের বিধিবিধান অনুযায়ী বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিষ্পত্তি করা হবে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচিত কোনো সংসদ সদস্য যদি নিজ থেকে দল থেকে পদত্যাগ করেন অথবা জাতীয় সংসদে স্বীয় দলের বিরুদ্ধে ভোটদান করেন, তবে তাঁর আসনটি শূন্য হওয়ার সুনির্দিষ্ট আইনগত বিধান রয়েছে। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দল যদি রাজনৈতিক বা শৃঙ্খলাজনিত কারণে কোনো সংসদ সদস্যকে বহিষ্কার করে, তবে তাঁর আসন স্বয়ংসক্রিয়ভাবে বাতিল হবে কি না—সে বিষয়ে সংবিধানের উক্ত অনুচ্ছেদে সুস্পষ্ট কোনো বাধ্যবাধকতার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ এবং সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য বিরোধ নির্ধারণ আইন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো সংসদ সদস্যের পদের যোগ্যতা, অযোগ্যতা বা আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যদি কোনো জটিলতা বা বিরোধ দেখা দেয়, তবে জাতীয় সংসদের স্পিকার বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠাবেন। প্রচলিত আইন অনুযায়ী, বিরোধ সৃষ্টি বা উত্থাপিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তা ইসিতে স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। পরবর্তী সময়ে নির্বাচন কমিশন দেওয়ানি আদালতের পূর্ণ এখতিয়ার প্রয়োগ করে বিবাদী ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর শুনানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে এবং সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত স্পিকারকে অবহিত করবে। আইন অনুযায়ী ইসির এই সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে নির্বাচিত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের একটি ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পায়। ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দলীয় ভাবমূর্তি বজায় রাখতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিষয়টির সত্যতা ও নিরপেক্ষতা যাচাইয়ে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরবর্তীতে তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলার চরম লঙ্ঘনের অভিযোগে বহিষ্কারের এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026