1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সামাজিক মাধ্যমে ঢালিউড অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর গুজব চট্টগ্রামের খুলশীতে প্রাইভেটকার চাপায় এক ব্যক্তি নিহত উত্তর-পূর্ব আলজেরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ১২ জনের মৃত্যু ও ৫৪ জনের আহত হওয়ার ঘটনা চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে সীমান্তে ৬ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি ফ্রান্সে অবকাশ যাপনে তাসনিয়া ফারিণ, প্যারিসের দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখছেন অভিনেত্রী নাটোরে পায়ুপথে বিশেষ কৌশলে হেরোইন বহনের সময় দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব ছাড়ছেন টিম কুক, নতুন দায়িত্বে জন টার্নাস রংপুরে একই পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনায় আদালতে দেওয়া আসামিদের জবানবন্দি প্রকাশ সৌদি আরবের মক্কা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা, সর্বোচ্চ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি হুলিয়ান আলভারেজকে দলে ভেড়াতে ১০০ মিলিয়নের প্রস্তাব বহাল রাখল বার্সেলোনা

কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা, সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৭৪ বার দেখা হয়েছে

শীর্ষ সংবাদ ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের কার্বন ক্রেডিট বাড়ানোর সম্ভাবনা এবং এ বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ঠিক করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন। আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দেন। বৈঠকে আন্তর্জাতিক কার্বন বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে এবং কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব হাসান শিপলু সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, শিল্প খাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রয়োগ, জ্বালানি দক্ষতা উন্নয়ন, বন সংরক্ষণ এবং দেশব্যাপী ব্যাপক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কার্বন শোষণ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সবসময়ই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। আন্তর্জাতিক কার্বন বাজারের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজে লাগাতে হলে এখন থেকেই বাস্তবসম্মত এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। এই লক্ষ্যে তিনি কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, একটি নির্ভরযোগ্য জাতীয় তথ্যভাণ্ডার (ডাটাবেজ) গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়ানোর তাগিদ দেন।

কার্বন ক্রেডিট অর্জনের প্রক্রিয়াকে গতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে কাজের সমন্বয় জোরদার করার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। এই কমিটি দেশের কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রস্তুত করবে। সভায় উপস্থিত মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, দেশে পরিবেশবান্ধব প্রকল্প বাড়াতে পারলে এবং কার্বন নিঃসরণ কার্যকরভাবে কমাতে পারলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ কার্বন ক্রেডিট অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে, যা দেশের টেকসই উন্নয়নে বড় অবদান রাখবে।

আন্তর্জাতিক জলবায়ু কূটনীতি ও পরিবেশ অর্থনীতিতে কার্বন ক্রেডিট একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং স্বীকৃত আর্থিক ব্যবস্থা। বায়ুমণ্ডলে এক মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড বা সমপরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো, প্রতিরোধ বা অপসারণের বিপরীতে একটি কার্বন ক্রেডিট প্রদান করা হয়। এটি মূলত পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও প্রণোদনা হিসেবে কাজ করে।

এরই ধারাবাহিকতায় কার্বন ট্রেডিং বা কার্বন বাণিজ্য হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত একটি বাজারভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থার আওতায় আন্তর্জাতিক সংস্থা বা সরকারগুলো কোনো নির্দিষ্ট দেশ, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির জন্য কার্বন নিঃসরণের একটি সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দেয়। কোনো দেশ বা প্রতিষ্ঠান যদি তাদের নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণ করে, তবে পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখার আইনি বাধ্যবাধকতা থেকে তাদের আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সমপরিমাণ কার্বন ক্রেডিট ক্রয় করতে হয়।

অন্যদিকে, যেসব দেশ বা প্রতিষ্ঠান বনায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের প্রসার, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি কিংবা আধুনিক পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ নির্ধারিত সীমার চেয়ে কমিয়ে আনে, তারা উদ্বৃত্ত কার্বন ক্রেডিট অর্জন করে। এই অর্জিত ক্রেডিটগুলো পরবর্তীতে অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণকারী উন্নত দেশ বা বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে আন্তর্জাতিক বাজারের নিয়ম অনুযায়ী চড়া মূল্যে বিক্রি করা সম্ভব। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য এই বাজার একটি বড় অর্থনৈতিক আয়ের উৎস হতে পারে, যা একই সাথে দেশের পরিবেশ রক্ষা এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সহায়কের ভূমিকা পালন করবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026