অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ঘোষিত নতুন শুল্ক কাঠামোর ফলে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য পরিস্থিতিতে কোনো নীতিগত বা বাস্তব পরিবর্তন আসবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তadir। তিনি উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটন নতুন করে অতিরিক্ত কোনো শুল্ক আরোপ করেনি; বরং আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে আগের শুল্ককেই নতুন নামে প্রতিস্থাপন (রিপ্লেসমেন্ট) করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে সিলেটের লাক্কাতুরা চা বাগান এলাকায় চা শ্রমিকদের জন্য আয়োজিত বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, পরিবার পরিকল্পনা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্পের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইতিপূর্বে যে শুল্ক আরোপ করেছিল, দেশটির নিজ দেশের আইনি প্রক্রিয়ার বিধান অনুসারে ১৫০ দিনের মধ্যে তার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে কারণে মেয়াদের শেষ প্রান্তে এসে আগের শুল্ক হারকেই পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে এটি নতুন কোনো অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা নয়, বরং বিদ্যমান শুল্কের আইনি ধারাবাহিকতা মাত্র। শুক্রবার মধ্যরাতের পর থেকে এ হার অপরিবর্তিত থেকেই ভিন্ন নামে কার্যকর হতে যাচ্ছে।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রসঙ্গ টেনে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বিশ্ববাজারে মূল্যের কিছুটা ঊর্ধ্বগতি থাকলেও এই মুহূর্তে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কোনো সরকারি সিদ্ধান্ত বা পরিকল্পনা নেই।
উল্লেখ্য, জোরপূর্বক শ্রম রোধে পর্যাপ্ত পদক্ষেপের অভাবকে কারণ হিসেবে দেখিয়ে বাংলাদেশসহ প্রায় ৬০টি বাণিজ্যিক অংশীদার দেশের ওপর এই শুল্ক পুনঃকার্যকর করছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে দেশভেদে শুল্কের হার ১০ শতাংশ থেকে ১২.৫ শতাংশ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে, যা মেয়াদের শেষ দিন অর্থাৎ শুক্রবার থেকেই বহাল হচ্ছে।