1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

তৃণমূল পর্যায়ে ফল উৎসবের সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

সুস্থ মননশীলতা গঠন এবং সামাজিক মেলবন্ধনের আবহ ধরে রাখতে ফল উৎসবের সংস্কৃতিকে দেশের তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, এই ধরনের উদ্যোগ কেবল একটি উৎসব নয়, এর পেছনে একটি সুদূরপ্রসারী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দর্শন রয়েছে। পারস্পরিক হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে মৌসুমি ফল বিনিময় এবং তা আহারের গুরুত্ব অপরিসীম। শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘ফল উৎসব’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের এই ঐতিহ্যবাহী ফল উৎসবের সংস্কৃতিকে কেবল শহরের গণ্ডিতে আটকে না রেখে গ্রামীণ ও প্রান্তিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। সমাজ ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইতিবাচক পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি উল্লেখ করেন, যে সমাজে সুস্থ অনুভূতি বিনিময়ের মাধ্যম থাকে না এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানের অভাব ঘটে, সেখানে কেবল ক্ষমতার প্রতিযোগিতা ও দলাদলি চলতে পারে, যা কখনো সভ্যতার মানদণ্ড হতে পারে না।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ও সংস্কৃতির উদাহরণ টেনে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সব ধর্ম ও সমাজেই মৌসুমী ফল ও প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের রীতি রয়েছে। এই মাটির উর্বরতা ও প্রকৃতির প্রতি পরম করুণাময়ের আশীর্বাদ আছে বলেই বাংলাদেশ এত চমৎকার ও বৈচিত্র্যময় ফলমূল মানুষকে উপহার দেয়। ফল উপভোগ করার মধ্য দিয়ে মূলত প্রকৃতির ও সৃষ্টিকর্তার প্রতি এক ধরনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ পায় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি প্রেস ক্লাবের এই আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান যখন এই সুন্দর সংস্কৃতিকে ধরে রাখে এবং চর্চা করে, তখন গণমাধ্যমের কল্যাণে তা দেশব্যাপী ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এই সুস্থ মনোজগতকে জাতীয় পর্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারলে তা একটি সুস্থ, মানবিক ও সহনশীল জাতি গঠনে বড় অবদান রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে আয়োজিত এবারের উৎসবে আম্রপালি, ফজলি, হাঁড়িভাঙ্গা, জাম্বুরা, কলা, কামরাঙ্গা, আমলকি, আমড়া, পেঁপে, কাঁঠাল, আনারস, পেয়ারা, করমচা, লটকন, ড্রাগন, ডেউয়া, জামরুল, তাল, লেবু, বাতাবিলেবু ও লিচুসহ প্রায় ৪২ ধরনের বৈচিত্র্যময় দেশি ফলের প্রদর্শনী ও আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়। রকমারি দেশি ফলের সম্ভার ও দেশাত্মবোধক গানের আয়োজনে সকাল থেকেই মুখরিত হয়ে ওঠে প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণ। ক্লাবের থিম সং ‘প্রেস ক্লাব আমাদের সেকেন্ড হোম’ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

ফলের এই সমাহারের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে ছিল ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। দেশাত্মবোধক ও লোকজ গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন দেশের বিশিষ্ট সংগীতশিল্পীরা। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা এই ফল উৎসব ও সঙ্গীতানুষ্ঠান উপভোগ করেন। শহুরে যান্ত্রিকতার মাঝে এই আয়োজন সদস্যদের মাঝে এক খণ্ড গ্রামীণ আবহ তৈরি করে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং বিশেষ অনুষ্ঠান ও আপ্যায়ন উপ-কমিটির আহ্বায়ক কাদের গনি চৌধুরী। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য কাজী রওনাক হোসেন, বখতিয়ার রানা, সৈয়দ আবদাল আহমদ, একেএম মহসিন, মাসুমুর রহমান খলিলীসহ ক্লাবের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকবৃন্দ ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। বক্তারা এ ধরনের আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026