1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

এক মাসে দ্বিতীয় দফায় বাড়ল এলপিজির দাম, ১২ কেজিতে বাড়ল ২১২ টাকা

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৮ বার দেখা হয়েছে

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম এক মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৭২৮ টাকা থেকে ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকেই এই নতুন মূল্য কার্যকর হবে বলে কমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও প্রতি লিটারে প্রায় ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিইআরসি প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, এপ্রিল মাসের শুরুতে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বৃদ্ধি করে ১৭২৮ টাকা করা হয়েছিল। এর মাত্র কয়েক দিনের মাথায় আজ আবারও দাম বাড়ানো হলো। এখন থেকে খুচরা গ্রাহকদের ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে হবে ১৯৪০ টাকায়। এলপিজির পাশাপাশি অটোগ্যাসের দামও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়েছে। মূলত আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাকে এই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিশন।

এক মাসে দুই দফায় অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে বিইআরসি জানিয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার কারণে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এর ফলে প্রধান রুটগুলো দিয়ে এলপিজি পরিবহন অসম্ভব হয়ে পড়ায় আমদানিকারকদের বিকল্প দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। বিকল্প উৎস থেকে পণ্য সংগ্রহ করতে অতিরিক্ত সময় ব্যয়ের পাশাপাশি জ্বালানি খরচ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া যুদ্ধের ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজগুলোর বিমা ও নিরাপত্তা ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজি আমদানির সামগ্রিক ব্যয় বেড়েছে।

কমিশন আরও উল্লেখ করেছে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশে এলপিজির সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং সংকট নিরসনই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এলপিজি ক্রয়ে ব্যয় বাড়ার ফলে আমদানিকারকদের পক্ষে আগের দামে পণ্য সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছিল না। তাই সরবরাহ চেইন সচল রাখতে জাহাজভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম চার্জ অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য প্রতি মেট্রিক টন ২৫০ মার্কিন ডলার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। মূলত এই প্রিমিয়াম চার্জ ও পরিবহন ব্যয়ের ব্যাপক উল্লম্ফনের কারণেই স্থানীয় বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়েছে বলে বিইআরসি দাবি করেছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এক মাসে দুই দফায় এলপিজির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে যারা প্রাকৃতিক গ্যাসের সংযোগহীন এলাকায় বাস করেন এবং রান্নার কাজে সম্পূর্ণ এলপিজির ওপর নির্ভরশীল, তাদের বাজেটে এটি বড় চাপ সৃষ্টি করবে। এছাড়া অটোগ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ফলে গণপরিবহনের ভাড়ার ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রতি মাসে সৌদি আরামকোর প্রোপেন ও বিউটেনের দামের ওপর ভিত্তি করে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। তবে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কেবল কাঁচামালের দামই নয়, বরং পরিবহন ও বিমা সংক্রান্ত অতিরিক্ত খরচই দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে এলপিজির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই অস্থিতিশীলতা বজায় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026