1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মালদ্বীপে প্রবাসী বাংলাদেশির ল্যান্ডফিল দুর্ঘটনায় মৃত্যু, শ্রীলঙ্কান নাগরিকের রিমান্ড বৃদ্ধি শহীদ দিবসে ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভিড় মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের দ্বিমুখী কূটনীতি: শান্তির আহ্বান ও সামরিক হুমকি রাউজানে দুর্বৃত্তদের গুলিতে শ্রমিক নেতা আহত পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ১৮ মাস পর জাতীয় পতাকা উত্তোলন শহীদদের আত্মত্যাগের রক্তের ঋণ শোধে সমৃদ্ধ দেশ গড়ার অঙ্গীকার বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল ঈদের পর শুরু, নবীন-প্রবীণ সমন্বয়ে নতুন কমিটি গঠন পাবনা-৪ আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য চাঁদাবাজমুক্ত এলাকার অঙ্গীকার লেবাননে ইসরাইলি বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত ইউনেস্কোতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনে মাতৃভাষা সংরক্ষণে নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা

চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস দ্রুততার সঙ্গে নিশ্চিত করার নির্দেশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ড থেকে সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে পণ্য খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। এ সময় তিনি বন্দরের স্ক্যানিং মেশিনগুলোর দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে তাৎক্ষণিক সচল করার নির্দেশ দেন।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের মেহেদীবাগে নিজ বাসভবনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠন, শীর্ষ ব্যবসায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। সভায় তিনি বলেন, পণ্যজট এবং ধীরগতির সরবরাহের অন্যতম কারণ হলো বন্দরের স্ক্যানিং মেশিনের দীর্ঘ সময় ধরে অচল থাকা। তিনি কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি দীর্ঘ সময় অচল রাখার কোনো সুযোগ নেই।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত চট্টগ্রাম পোর্ট ইউজার্স ফোরামের প্রতিনিধিরাসহ অন্যান্য বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনের নেতারা আশ্বাস দেন যে, বন্দরের কার্যক্রম এক ঘণ্টার জন্যও বন্ধ হবে না, তা নিশ্চিত করার জন্য তারা সমন্বিতভাবে কাজ করবেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বন্দরের সর্বোচ্চ দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পরিচালনা অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন, সঠিক বন্দরে পরিচালনা নিশ্চিত করা না হলে বাজারে পণ্যমূল্য, বাণিজ্য এবং শিল্প উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এছাড়াও, বন্দর পরিচালনা ও সেবার ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে আনা প্রয়োজন।

সভায় মন্ত্রী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন, বন্দরের পরিচালনা, কাস্টমস প্রক্রিয়া, পণ্য খালাস এবং জাহাজীকরণ সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও উচ্চপর্যায়ে উপস্থাপন করতে। তিনি নিজেই নৌপরিবহন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে বিষয়গুলোর তদারকি করবেন।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের অভিযোগ শোনার পর মন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান করার নির্দেশ দেন। সভা শেষে তিনি জানান, বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে যেসব সমস্যা দেখা দিয়েছে, সেগুলোর পূর্ণাঙ্গ চিত্র পর্যালোচনা করা হয়েছে। শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্থে এসব সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান প্রয়োগ করা হবে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের কমিশনার মো. শফিউল্লাহ, চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ, পরিচালক (নিরাপত্তা) লে. কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম পোর্ট ইউজার্স ফোরামের আহ্বায়ক আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এস এম সাইফুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মো. শওকত আলী এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতারা।

এ সফর অর্থমন্ত্রী হিসেবে তার চট্টগ্রাম বন্দরে প্রথম প্রত्यक्षমূলক কার্যক্রম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্যের এলাকা দেশের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর, কাস্টমস হাউস, ইস্টার্ন রিফাইনারি, বিমানবন্দর ও সিইপিজেডসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক কেন্দ্রের সাথে সংযুক্ত।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026