1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাতৃভাষা সংরক্ষণ ও জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে: ডেপুটি স্পিকার বগুড়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ২ মালয়েশিয়ায় ১০ তলা ভবন থেকে নিচে পড়ে বাংলাদেশি শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত সহস্রাধিক গৃহকর্মী প্রীতি উরাং মৃত্যুর মামলা: আশফাকুল ও তার স্ত্রীর অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়ে ২ সেপ্টেম্বর ভয়েজ অব বাংলাদেশ-এর সঞ্চালনায় তাহসান, বিচারকের আসনে পাঁচ শিল্পী বস্ত্র খাতের সমস্যা নিরসনে অর্থ উপদেষ্টা ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন বিশ্বকাপ ফাইনালের পর নিজ শহর রোসারিওতে ফিরেছেন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি ২০৩০ বিশ্বকাপ ৬৪ দলে উন্নীত করার আলোচনায় ফিফার তীব্র সমালোচনা লা লিগা সভাপতির বাংলাদেশে শিক্ষা ও কারিগরি খাতের উন্নয়নে সহযোগিতার আগ্রহ সিঙ্গাপুরের

তারেক রহমানের নির্দেশনায় বস্ত্র খাতের সংকট নিরসনে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

বস্ত্র ও টেক্সটাইল খাতের দীর্ঘদিন ধরে চলমান সংকট নিরসন এবং শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় কমিটি গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অর্থ উপদেষ্টা ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সমন্বয়ে এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন গঠিত এই কমিটি আগামী সপ্তাহে বিটিএমএ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে পুনরায় বৈঠকে বসে পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণ করবে।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)-এর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।

বৈঠক শেষে বিটিএমএ সভাপতি জানান, টেক্সটাইল খাতের বর্তমান স্থবিরতা ও সমস্যাগুলো নতুন নয়, বরং তা দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। পূর্ববর্তী কোনো সরকারই এই খাতটির বিদ্যমান জটিলতাগুলো নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। তবে বর্তমান সরকারের নেওয়া এই সময়োপযোগী পদক্ষেপকে শিল্প উদ্যোক্তারা অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকার এই সংকট সমাধানে নীতিগত ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও বিদ্যমান জটিলতা থেকে পূর্ণাঙ্গ পুনরুদ্ধারে আনুমানিক দেড় বছর সময় লাগতে পারে। পোশাক ও টেক্সটাইল খাতের সার্বিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে এবং অর্থনীতিতে এই খাতের অবদানের কথা বিবেচনায় রেখে টেক্সটাইল খাতের উদ্যোক্তারা সরকারকে প্রয়োজনীয় এই সময় দিতে সম্মত হয়েছেন। সরকার যদি প্রয়োজনীয় মানসিকতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে খাতটির প্রতি নজর দেয়, তবে খুব দ্রুতই জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই খাত ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবে বলে উদ্যোক্তা নেতারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সচিবালয়ের এই বৈঠকে মূলত টেক্সটাইল ও বস্ত্র কারখানাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের সংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একই সঙ্গে উদ্যোক্তারা এই খাতের বিদ্যমান আর্থিক জটিলতা, ব্যাংক ঋণ এবং পরিচালনা ব্যয়ের সার্বিক চিত্র প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। সরকার এরই মধ্যে এই খাতের জন্য ৫ শতাংশ প্রণোদনা অব্যাহত রেখেছে, যা রপ্তানিমুখী টেক্সটাইল শিল্পকে কিছুটা হলেও অর্থনৈতিক স্বস্তি যোগাচ্ছে। তবে সার্বিক স্থায়িত্ব আনয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সহায়তা জোরদার করতে নতুন গঠিত কমিটির মাধ্যমে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত আসবে বলে বিটিএমএ বিশ্বাস করে।

দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া টেক্সটাইল কারখানাগুলো পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে সম্প্রতি সরকার যে বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, সেটিকে স্বাগত জানান বিটিএমএ সভাপতি। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা সম্ভব হলে প্রায় ১৫ লাখ মানুষের নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, যা দেশের বেকারত্ব হ্রাস এবং তৈরি পোশাক খাতের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শক্তিশালী করতে সরাসরি ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলো টেক্সটাইল খাত। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে তৈরি পোশাক পণ্যের চাহিদা হ্রাস, দেশের বাজারে গ্যাস-বিদ্যুতের তীব্র সংকট ও মূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং অর্থনৈতিক মন্দার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে এ খাতের ব্যবসায়ীরা চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েন। এর ফলশ্রুতিতে বিপুলসংখ্যক সুতা ও কাপড় উৎপাদনকারী মিল বন্ধের উপক্রম হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপে সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সমন্বয়ে গঠিত এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি শিল্পের সুনির্দিষ্ট সমস্যাগুলো চিহ্নিত করবে এবং সংকট উত্তরণে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রণয়ন করবে।

উদ্যোক্তারা আশা প্রকাশ করছেন, এই নতুন কমিটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্যাসের সঠিক চাপ নিশ্চিতকরণ, আর্থিক পুনর্গঠন সুবিধা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূরীকরণের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোতে দৃশ্যমান সমাধান প্রদানে সক্ষম হবে, যা এই রফতানিমুখী শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে ভূমিকা রাখবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026