1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাতৃভাষা সংরক্ষণ ও জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে: ডেপুটি স্পিকার বগুড়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ২ মালয়েশিয়ায় ১০ তলা ভবন থেকে নিচে পড়ে বাংলাদেশি শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত সহস্রাধিক গৃহকর্মী প্রীতি উরাং মৃত্যুর মামলা: আশফাকুল ও তার স্ত্রীর অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়ে ২ সেপ্টেম্বর ভয়েজ অব বাংলাদেশ-এর সঞ্চালনায় তাহসান, বিচারকের আসনে পাঁচ শিল্পী বস্ত্র খাতের সমস্যা নিরসনে অর্থ উপদেষ্টা ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন বিশ্বকাপ ফাইনালের পর নিজ শহর রোসারিওতে ফিরেছেন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি ২০৩০ বিশ্বকাপ ৬৪ দলে উন্নীত করার আলোচনায় ফিফার তীব্র সমালোচনা লা লিগা সভাপতির বাংলাদেশে শিক্ষা ও কারিগরি খাতের উন্নয়নে সহযোগিতার আগ্রহ সিঙ্গাপুরের

যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের নিয়ে একসাথে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্য অর্জনে অতীতে রাজপথের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে শরিক দলগুলোকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পর জনগণের যে বিপুল আস্থা বর্তমান সরকারের ওপর তৈরি হয়েছে, তা সুসংহত রাখতে সমমনা দলগুলোর মধ্যে কোনো ধরনের দূরত্ব বা বিভেদের অবকাশ নেই।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ফ্যাসিস্ট সরকার পতন আন্দোলনে শরিক বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাথে আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় ও নৈশভোজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সূচনা বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে বিগত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রার স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, যুগপৎ আন্দোলনের শরিকরা অতীতে কঠিন সময়ে রাজপথে একসাথে ছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতেও একসাথে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও দেশের স্বার্থে একসাথে পথ চলবে। জোটের শরিক নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে ছোট ভাইসুলভ মনোভাব থেকে তিনি বলতে চান যে, জনগণের প্রত্যাশার মাত্রা অত্যন্ত ব্যাপক। এই বিশাল প্রত্যাশা পূরণের যাত্রায় সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা বাস্তবায়ন করতে হবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নীতিনির্ধারণী বিষয়ে সামান্য দ্বিমত তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়, তবে তা কোনোভাবেই মৌলিক বিভেদ বা ভুল বোঝাবুঝির কারণ হতে পারে না।

জনগণের রাজনৈতিক শক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে সরকারপ্রধান বলেন, দেশের সাধারণ মানুষই মূলত সকল ক্ষমতার উৎস এবং প্রধান চালিকাশক্তি। বিগত আন্দোলনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন বিএনপি ও এর শরিক দলগুলোর সাথে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। জনগণের এই আস্থাই সরকারের মূল শক্তি ও অনুপ্রেরণা। রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা প্রসঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একমঞ্চে বসে রূপরেখার ৩১ দফা জাতির সামনে উপস্থাপন করেছিল। পরবর্তীতে সাধারণ মানুষ এই ৩১ দফার পক্ষেই তাদের স্পষ্ট রায় দিয়েছে। সুতরাং, এই দফা কিংবা জুলাই সনদের মূল চেতনার আলোকেই রাষ্ট্রকাঠামো পুনর্গঠন ও দেশকে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিতে হবে।

সরকার পরিচালনার বর্তমান বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরশাসনের ফলশ্রুতিতে দেশের অর্থনীতি, জ্বালানি খাত, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতসহ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার প্রতিটি স্তম্ভ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিল। এক গভীর ও ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকেই বর্তমান প্রশাসনকে দেশ পরিচালনার গুরুদায়িত্ব কাঁধে নিতে হয়েছে। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও জনগণের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে এবং একটি জনবান্ধব প্রশাসন উপহার দিতে দিনরাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে সরকার। শতভাগ চ্যালেঞ্জ হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হয়নি, তবে নতুন সরকার হিসেবে গৃহীত পদক্ষেপের সুফল সাধারণ মানুষ ইতোমধ্যে পেতে শুরু করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে রাষ্ট্র পরিচালনার সামগ্রিক কার্যক্রমে তিনি শরিক দলগুলোর অব্যাহত সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক জোট ও দলের শীর্ষনেতাসহ প্রায় ৪১টি দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। শুভেচ্ছা বিনিময় পর্ব শেষে প্রধানমন্ত্রী শরিক দলের নেতাদের সাথে একই টেবিলে বসে নৈশভোজে অংশ নেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026