1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চট্টগ্রাম বোর্ডে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত সুখী ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছর ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি ঘোষণা সৌদি আরবের কুমিল্লায় অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অপরাধ দমনে নতুন প্রযুক্তিতে দক্ষতা বাড়াতে পুলিশ সদস্যদের তাগিদ আইজিপির জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে কোনো শত্রুতা থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী সংসদে পাস হলো ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’: বিডা, বেজা ও পিপিপি বিলুপ্ত করে নতুন কর্তৃপক্ষ গঠন বঙ্গোপসাগরে নৌকাডুবিতে ৫৩০ রোহিঙ্গার মৃত্যু, উদ্বেগ প্রকাশ আইওএম ও ইউএনএইচসিআরের চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের পেছনে সরকারকে বিব্রত করার অপচেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধে সহায়তাকারীরা পাচ্ছেন বিশেষ স্বীকৃতি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫
  • ৭৯ বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

 

বীর মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা পরিবর্তন করে ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়েছে। এই সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের সদস্যরা ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

মঙ্গলবার (৩ জুন) রাতে রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশের গেজেট জারি করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা দেশের অভ্যন্তরে গ্রামে-গঞ্জে যুদ্ধের প্রস্তুতি ও অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, এবং যেসব ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সীমানা অতিক্রম করে ভারতের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন, তারাই বীর মুক্তিযোদ্ধা।

এছাড়াও, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে হানাদার ও দখলদার পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনী এবং তাদের এ দেশীয় সহযোগী রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস, তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম এবং দালাল ও শান্তি কমিটির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন এমন সব বেসামরিক নাগরিক, যাদের বয়স সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সর্বনিম্ন বয়সের মধ্যে ছিল, তারাও এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত।

সশস্ত্র বাহিনী, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর), পুলিশ বাহিনী, মুক্তি বাহিনী, প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) ও উক্ত সরকার কর্তৃক স্বীকৃত অন্যান্য বাহিনী, নৌ কমান্ডো, কিলো ফোর্স, আনসার সদস্যরাও বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন।

এর বাইরে, হানাদার ও দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগী কর্তৃক নির্যাতিত সব নারী বীরাঙ্গনা এবং মুক্তিযুদ্ধকালে আহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী ফিল্ড হাসপাতালের সব ডাক্তার, নার্স ও চিকিৎসা-সহকারীদেরও বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের সহযোগীর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে দেশের অভ্যন্তরে বা প্রবাসে অবস্থান করে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দীপিত করা এবং মুক্তিযুদ্ধকে বেগবান ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনকে ত্বরান্বিত করার প্রয়াসে সংগঠকের ভূমিকা পালন, বিশ্বজনমত গঠন, কূটনৈতিক সমর্থন অর্জন এবং মনস্তাত্ত্বিক শক্তি অর্জনের প্রেক্ষাপটে যেসব বাংলাদেশের নাগরিক প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা করেছেন, তারাই ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন।

এই শ্রেণিতে কারা মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন তা-ও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে গেজেটে বলা হয়েছে, যেসব বাংলাদেশি পেশাজীবী মুক্তিযুদ্ধের সময় বিদেশে অবস্থানকালে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশেষ অবদান রেখেছিলেন। যেসব বাংলাদেশি নাগরিক বিশ্বজনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। যেসব ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) অধীন কর্মকর্তা বা কর্মচারী বা দূত এবং ওই সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত ডাক্তার, নার্স বা অন্যান্য সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) সঙ্গে সম্পৃক্ত সব এমএনএ বা এমপিএ যারা পরবর্তীকালে গণপরিষদের সদস্য হিসেবে গণ্য হয়েছিলেন। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সব শিল্পী ও কলা-কুশলী এবং দেশ ও দেশের বাইরে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে দায়িত্ব পালনকারী সব বাংলাদেশি সাংবাদিক এবং স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026