1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
টেলিটক বিক্রি করা হবে না, আধুনিকায়নের উদ্যোগ সরকারের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের যৌথ অঙ্গীকার স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট মোকাবিলায় তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নারী উন্নয়ন ও শিশু সুরক্ষায় দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উত্থানের আভাসে ডিএসইতে লেনদেন চলছে, প্রথম ৫০ মিনিটে হাতবদল ৩২৪ কোটি টাকা অর্থমন্ত্রী: জনগণকে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভিয়েতনামের চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা এশিয়ান চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতল ‘রইদ’ রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে গ্রেফতার ৪০৬, মামলা ৫০ এনসিপির সমাবেশে ককটেল হামলার ঘটনা তদন্তে আশ্বস্ত করলেন তথ্য উপদেষ্টা

দ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন ডেঙ্গুতে মারা যেতে পারে ৪০,০০০ মানুষ

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১৭৭ বার দেখা হয়েছে

প্রতি বছরই বেড়ে চলেছে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। অকালেই ঝরে পড়ছে অসংখ্য প্রাণ। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের মতে, সারাবিশ্বে প্রতি বছর ১০ কোটি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়।

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, ২০০০ সালে প্রায় ২০ হাজার মানুষ ডেঙ্গুতে প্রাণ হারায়। চলতি বছর এ সংখ্যা হতে পারে দ্বিগুণ। অর্থাৎ ডেঙ্গুতে এ বছর ৪০ হাজার মানুষ মারা যেতে পারে। দ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু আক্রান্ত অঞ্চল হলো লাতিন আমেরিকা। ২০০০ থেকে ২০০৫ সালে সেখানে বছরে গড়ে পাঁচ লাখ মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়। কিন্তু ২০২৩ সালে অঞ্চলটিতে ৪৬ লাখ মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়। এদিকে ২০২৪ সালে এরই মধ্যে সেখানে প্রায় ৬০ লাখ কেস শনাক্ত হয়েছে। এডিস ব্রাজিলিয়ানদের এতটাই প্রভাব ফেলে যে, এটি জাতীয় জিডিপি ০.২ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস করতে পারে। কেননা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তির কর্মক্ষমতা অনেকটাই কমে যায়।

একদিকে যেমন ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তেমনি অঞ্চল ছাপিয়ে তা ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বের সর্বত্র। এডিস মশা তাপমাত্রার ছোট পরিবর্তনের জন্য সংবেদনশীল এবং বিশ্ব উষ্ণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের পরিসর প্রসারিত হচ্ছে। অ্যানেফিলিস মশা ম্যালেরিয়া ছড়ায়, যা এখন সারা বিশ্বেই পাওয়া যায়। কিন্তু এডিস এখনো সব অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েনি। কিন্তু জলবায়ুর বর্তমান প্রবণতা অনুযায়ী, এডিস মশা দক্ষিণ ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে আরও ২০০ কোটি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

অপরিকল্পিতভাবে অতিরিক্ত নগরায়ন এই মশার বংশবিস্তার বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। একটি ডেঙ্গু মশা তার দুই সপ্তাহের জীবনে একাধিক ব্যক্তিকে কামড়াতে পারে। কিছু স্থানে এই রোগ আগে ছিল না কিন্তু এখন দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ক্যালিফোর্নিয়া, দক্ষিণ ইউরোপ, আফ্রিকায় ডেঙ্গু আক্রান্তে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

ডেঙ্গুজ্বরের জন্য বিশ্বকে অবশ্যই প্রস্তুতি নিতে হবে। যদিও ধনী উত্তর গোলার্ধ ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তবে এতে বিশ্বের দরিদ্র অংশ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এরই মধ্যে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সিঙ্গাপুর দীর্ঘদিন ধরেই ভালো কাজ করেছে। দেশটি স্বাস্থ্যকর্মীদের দিয়ে নিয়মিত মনিটরিং করছে। তাছাড়া কোথাও পানি জমেছে কিনা তার খোঁজ করা, লার্ভা সংগ্রহ এবং দায়ীদের জরিমানার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। মশার কেন্দ্রস্থলগুলোতে নিয়মিত ওষুধ ছিটানো হয়।

২০১৬ সাল থেকে সিঙ্গাপুর আরেকটি উচ্চ প্রযুক্তির ডেঙ্গু প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে। প্রতি সপ্তাহে এটি ওলবাচিয়া ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রামিত ৫০ লাখ মশা ছেড়ে দেয়, যা ডেঙ্গু সৃষ্টিকারী ভাইরাস ছড়াতে বাধা দেয়। এতে বছরে দেশটির প্রায় ৩৫ লাখ ডলার খরচ হয়। এখনো ডেঙ্গুর কোনো ভ্যাকসিন বাজারে আসেনি, তবে এক্ষেত্রে চেষ্টা চলছে। উল্লেখ্য, একটি স্ত্রী এডিস মশা যদি ফ্ল্যাভিভাইরাস প্যাথোজেন বহন করে। সে অবস্থায় কাউকে কামড় দেয় তাহলে ভুক্তভোগী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে জয়েন্টে ব্যথা, রক্তক্ষরণ এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026