1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের গেজেটভুক্তির আবেদনে ব্যাপক অনিয়ম, ২০০টি ভুয়া শনাক্ত কুমিল্লায় ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধে ব্রাজিল সমর্থক নিহত চাঁদপুরে সাবেক প্যানেল মেয়র ও যুব মহিলা লীগ নেত্রী ফরিদা ইলিয়াছ গ্রেপ্তার বিশ্বকাপে মিশরের ঐতিহাসিক পারফরম্যান্সের প্রশংসা ফিফা সভাপতির, রেফারিং নিয়ে নীরবতা কমিউনিটি ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে পল্লী বিদ্যুতের বিল, বিআরইবির সঙ্গে চুক্তি ফ্রান্স-মরক্কো কোয়ার্টার ফাইনালে পুরো রেফারি প্যানেলই আর্জেন্টিনার যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে বর্ণবাদের শিকার ইউটিউবার আইশোস্পিড, তদন্তে ফিফা মিশরকে হারিয়ে মেসির সাত রেকর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামকরণ ও বিদ্যমান নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সদরদফতরে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত

দেশে করোনা সংক্রমণ ফের বাড়ার আশঙ্কা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২২
  • ১৪৭ বার দেখা হয়েছে

দেশে করোনা সংক্রমণ ফের বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। প্রতিবেশি দেশ ভারতে ভাইরাসটির সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে জানিয়ে সবাইকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

রবিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে মহাখালীর জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান (নিপসম) মিলনায়তনে আয়োজিত জাতীয় পুষ্টি দিবস ২০২২ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রতিবেশি দেশগুলোতে করোনা সংক্রমণ অধিকহারে বাড়ছে। আমাদের করোনা নিয়ন্ত্রণে আছে। মৃত্যুও শূন্যের কোটায়। এটি আমাদের ধরে রাখতে হবে। আমাদের সংক্রমণ যেনো বাড়তে না পারে সেজন্য সকলকে সচেতন থাকতে হবে।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। শুরুতে মৃত্যু অনিয়মিত থাকলেও ওই বছরের ৪ এপ্রিল থেকে করোনায় মৃত্যু ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে করোনার সংক্রমণের চিত্রে কয়েক দফা ওঠানামা দেখা গেছে।

করোনা পরিস্থিতি কমে আসার পর গত বছরের ডিসেম্বরে ওমিক্রন শনাক্ত হলে ফের সংক্রমণ বাড়তে থাকে। কিছুদিন তাণ্ডব চালানোর পর এখন করোনা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

প্রতিবেশি দেশ ভারতে সম্প্রতি করোনার সংক্রমণ ফের বেড়ে গেছে। এর ফলে বাংলাদেশেও সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

জাহিদ মালেক বলেন, করোনা আমাদের দেশে নিয়ন্ত্রণেই আছে। মৃত্যুও শূন্যের কোটায়। এটি ধরে রাখতে হলে সবাইকেই সচেতন হতে হবে।

দেশের ১৩ কোটি মানুষ টিকা পেয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এখন খুব একটা লোক করোনার টিকা নেওয়ার বাকি নেই। আমরা ১৩ কোটি মানুষকে টিকা দিয়েছি। যারা টিকা পায়নি তারা আসলে টিকা দিতে চায় না। আমরা তাদের বারবার টিকা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। অনেকে দেশে টিকা কার্যক্রমকে নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে মেলায়। কিন্তু তাদের জন্যসংখ্যা অনেক কম। আমরা দিনে এক কোটি টিকাও দিয়েছি। বিশ্বের অনেক দেশে সে পরিমাণ মানুষই নেই।

পুষ্টির বিষয়টি সরকার গুরুত্বে সঙ্গে দেখছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ভালো খাবার খেলে শরীর সুস্থ থাকে। ভালো খাওয়ার বলতে পুষ্টিকর খাবার। আমাদের দেশে পুষ্টি সেবার অনেক উন্নতি হয়েছে। আমরা প্রাইমারি হেলথ কেয়ারের অনেক উন্নয়ন করেছি। কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে আমরা এ সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পেরেছি। সেখানে মানুষকে চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি কি খেতে হবে, কি খাওয়া উচিত নয় তাও শিক্ষা দেওয়া হয়। আমরা লবণ পরিহার করতে বলি। অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার বর্জন করতে বলি। মানুষকে সচেতন করতে আমাদের অনেক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে তা আরও বাড়ানো হবে।

জাহিদ মালেক আরও বলেন, মানুষের গড় আয়ু এখন ৭৩ বছর। টিবি, পোলিও, ম্যালেরিয়ার মতো সংক্রামক রোগ আমরা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি। এজন্য আমাদের মৃত্যুহার কমেছে। কিন্তু আমাদের অসংক্রামক রোগ অনেক বাড়ছে। ক্যান্সারের মতো রোগ বাড়ছে। এসবের জন্য খাদ্যাভাস ও জীবনাচরণের দিকে নজর দিতে হবে। এমন খাবার খেতে হবে যেটা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, আধুনিকতা আমাদের এগিয়ে নিলেও কিছু ক্ষেত্রে পিছিয়ে দিয়েছে। সন্তানের জন্য মায়ের থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাচ্চার শাল দুধ। কিন্তু সেটা এখনকার বাচ্চারা ঠিকমতো পায় না।

লোকমান হোসেন আরও বলেন, দেশে অধিকহারে সিজারের প্রবণতা বেড়েছে। কিন্তু নরমাল ডেলিভারি হওয়া ভালো। যত বেশি সিজার ততবেশি সমস্যা বাড়ছে। তাই এসব বিষয়েও সচেতন থাকতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার খুরশিদ আলম বলেন, স্বাধীনতার শুরু থেকে আমাদের নানা পুষ্টি সমস্যা ছিল। আমাদের মানুষের ওজন কম ছিল, স্বাস্থ্য কম ছিল। এখন তা কমে এসেছে। তবে নগরায়নের ফলে পুষ্টি চ্যালেঞ্জ বেড়ে যাচ্ছে। এজন্য কমিউনিটি ক্লিনিককে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান, স্বাচিপের মহাসচিব এম এ আজিজ, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশেন (বিএমএ) মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ডা. জোবায়দা নাসরিন, জাতীয় পুষ্টি কার্যক্রমের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026