1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিশ্বকাপে মিশরের ঐতিহাসিক পারফরম্যান্সের প্রশংসা ফিফা সভাপতির, রেফারিং নিয়ে নীরবতা কমিউনিটি ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে পল্লী বিদ্যুতের বিল, বিআরইবির সঙ্গে চুক্তি ফ্রান্স-মরক্কো কোয়ার্টার ফাইনালে পুরো রেফারি প্যানেলই আর্জেন্টিনার যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে বর্ণবাদের শিকার ইউটিউবার আইশোস্পিড, তদন্তে ফিফা মিশরকে হারিয়ে মেসির সাত রেকর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামকরণ ও বিদ্যমান নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সদরদফতরে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী: আপিল শুনানির রায় ঘোষণা বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্পিকারের কড়া হুঁশিয়ারি, সংসদ কক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার না করার রুলিং সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক বনানীর হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক মামলায় গ্রেফতার

ফ্রান্স-মরক্কো কোয়ার্টার ফাইনালে পুরো রেফারি প্যানেলই আর্জেন্টিনার

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

ক্রীড়া প্রতিবেদক

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বোস্টনে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও মরক্কো। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচটিকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই মাঠের খেলার বাইরে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশনের (ফিফা) রেফারি নিয়োগের সিদ্ধান্ত। ম্যাচটি পরিচালনার জন্য পাঁচ সদস্যের যে রেফারি প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে, তার প্রত্যেকেই আর্জেন্টিনার নাগরিক। চলতি বিশ্বকাপে এবারই প্রথম কোনো ম্যাচে একই দেশের রেফারিদের নিয়ে সম্পূর্ণ প্যানেল গঠন করার নজির তৈরি হলো।

ফিফার ঘোষিত ম্যাচ অফিশিয়ালদের তালিকা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবারের গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে মূল রেফারির দায়িত্বে থাকবেন আর্জেন্টিনার অভিজ্ঞ রেফারি ফাকুন্দো তেলো। মাঠের দুই প্রান্তে সহকারী রেফারি হিসেবে তাকে সহযোগিতা করবেন হুয়ান পাবলো বেলাত্তি ও গাব্রিয়েল চাদে। এ ছাড়া ম্যাচ পরিচালনায় চতুর্থ কর্মকর্তা হিসেবে মাঠের বাইরে দায়িত্ব পালন করবেন দারিও হেরেরা এবং রিজার্ভ সহকারী রেফারি হিসেবে থাকবেন ক্রিস্টিয়ান নাভারো।

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচে একই দেশের রেফারিদের ওপর সম্পূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করার এই সিদ্ধান্ত ফুটবল অঙ্গনে বেশ আলোড়ন তৈরি করেছে। গত মঙ্গলবার ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে এই তালিকা প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মহলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু হয়। বিশেষ করে ফরাসি ফুটবল সমর্থকদের একাংশ এই নিয়োগের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, বিশ্বকাপের মতো সর্বোচ্চ স্তরের টুর্নামেন্টের সংবেদনশীল ম্যাচে একই দেশের পুরো প্যানেল রাখা হলে তা অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্কের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

এই রেফারি বিতর্ককে কেন্দ্র করে চলতি বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর একটি ম্যাচের প্রসঙ্গও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। নকআউট পর্বের সেই ম্যাচে মিসরের মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা। কাকতালীয়ভাবে, সেই ম্যাচে মূল রেফারির দায়িত্বে ছিলেন ফ্রান্সের ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে। ম্যাচটি শুরুর আগে আর্জেন্টিনার সমর্থক ও দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ফরাসি রেফারি নিয়োগ নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল। তবে সেই ম্যাচে চতুর্থ কর্মকর্তা ও রিজার্ভ সহকারী রেফারি হিসেবে অন্য দেশের অফিশিয়ালরা দায়িত্ব পালন করায় বিষয়টি বড় কোনো বিতর্কের রূপ নেয়নি। কিন্তু ফ্রান্সের ম্যাচে পুরো প্যানেলই আর্জেন্টিনার হওয়ায় এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে।

ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ ফাইনালের পর থেকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা এক নতুন এবং চরম উত্তেজনাপূর্ণ উচ্চতায় পৌঁছেছে। মাঠের লড়াই ও মাঠের বাইরের নানা ঘটনাপ্রবাহে দুই দেশের ফুটবলীয় সম্পর্ক বেশ সংবেদনশীল। চলমান বিশ্বকাপের সমীকরণ ও সূচি অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের পরবর্তী ধাপে আবারও এই দুই পরাশক্তির মুখোমুখি হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। এমন একটি বিশেষ প্রেক্ষাপটে ফ্রান্সের জীবন-মরণ ম্যাচে আর্জেন্টিনার পাঁচজন রেফারিকে দায়িত্ব দেওয়া মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

তবে রেফারি প্যানেল নিয়ে ফুটবল দুনিয়ায় এমন গুঞ্জন ও আলোচনা তৈরি হলেও ফিফার পক্ষ থেকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোনো বিশেষ ব্যাখ্যা বা মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সংস্থাটি বরাবরের মতোই কেবল ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে। ফুটবল বোদ্ধাদের একাংশের ধারণা, আধুনিক ফুটবলে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার থাকায় মাঠের রেফারিদের একক সিদ্ধান্তের চেয়ে শতভাগ নির্ভুল ম্যাচের ওপরই জোর দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে ফিফা যোগ্যতার ভিত্তিতেই এই প্যানেল নির্বাচন করেছে। এখন দেখার বিষয়, মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে রেফারিরা এই আলোচনার অবসান ঘটাতে পারেন কি না।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026