1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
জাতীয় সংসদে শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার ও সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনা বেসরকারি শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্টে বার্ষিক ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি, নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ৪৪ হাজার আবেদন দুবাইয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার, পুলিশের ঐতিহাসিক সাফল্য বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হলেন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ৮০ বছরে পদার্পণ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আর এস ফাহিম চৌধুরী গ্রেপ্তার শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার ৮০৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দেশজুড়ে তিন দিনব্যাপী নজরুল বর্ষের অনুষ্ঠান শুরু ১৮ জুন মহাসড়কের ময়লা অপসারণ করে বৃক্ষরোপণ করলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

স্ত্রী-সন্তানসহ তিনজনকে হত্যার দায় স্বীকার এএসআই সৌমেনের

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১
  • ২৬৯ বার দেখা হয়েছে

স্ত্রী-সন্তানসহ তিনজনকে হত্যায় অভিযুক্ত এএসআই সৌমেন কুমার রায় কুষ্টিয়ার আদালতে দায় স্বীকার করেছেন। সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিমের আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি (তদন্ত) নিশিকান্ত সাহা। তদন্ত কর্মকর্তা জানান, আদালতে সৌমেন নিজেকে নিহত আসমার স্বামী বলে দাবি করেন। তিনি জানান যে, তিনি আসমাকে দুবছর আগে বিয়ে করেন।

তিনি বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ করেন বলে আদালতকে জানান। সার্ভিস পিস্তল ও বুলেট নিয়ে আসার কথাও জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন তিনি।
জবানবন্দি শেষে বিচারক সৌমেনকে কারাগারে পাঠানোর নিদের্শ দেন। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ফরহাদ হোসেন খান জানান, তিনজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় সৌমেনকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলা হয়েছে।

এর আগে রবিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের কাস্টমস অফিসের সামনে প্রকাশ্যে গুলি করে তিনজনকে হত্যা করেন সৌমেন। নিহতরা হলেন সৌমেনের স্ত্রী আসমা খাতুন (২৫), তার সাত বছরের ছেলে রবিন। এ ছাড়া শাকিল হোসেন (২৮) নামে আসমার এক বন্ধু।

সৌমেন রায় খুলনার ফুলতলা থানায় কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি মাগুরা জেলায়। নিহত শাকিলের বাবা মেজবার রহমান সৌমেনকে আসামি করে রবিবার রাতে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা করেন। আরেকটি মামলা করেন আসমার মা হাসিনা খাতুন। দুই মামলাতেই সৌমেনকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে।

নিহত আসমার বাড়ি কুমারখালীর নাটুরিয়া গ্রামে। তবে তারা কুষ্টিয়া শহরে থাকতেন। আর শাকিলের বাড়ি কুমারখালীর সাঁওতা গ্রামে। তিনি বিকাশের স্থানীয় একজন এজেন্ট।

এএসআই সৌমেনকে সাময়িক বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছেন খুলনার পুলিশ সুপার মাহবুব হাসান। তিনি জানান, সৌমেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফুলতলা থানা থেকে ছুটি না নিয়েই সৌমেন রবিবার সকালে কুষ্টিয়ায় গিয়েছিলেন। বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ ও আগ্নেয়াস্ত্র বহন করার ঘটনায় পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026