1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মানিকগঞ্জে জাতীয় কবি নজরুলের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজন। জুন মাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কনফারেন্স’ আয়োজন করতে যাচ্ছে রংপুরে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের আর্থিক সহায়তা বিতরণ কুয়েতে বাংলাদেশের খাদ্য সহায়তা হস্তান্তর: সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার ১০০ দিনে সরকারের একাধিক জনমুখী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন: সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়; অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আগামী ২৮ মে অলাভজনক ও অসংগতিপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্প বাদ দেওয়ার উদ্যোগ সরকারের বাংলাদেশ ও আইএমএফের নতুন তিন বছর মেয়াদি সংস্কার কর্মসূচি শুরুর সিদ্ধান্ত উচ্চ প্রযুক্তির চিপের চাহিদা ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সিঙ্গাপুরে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

করোনায় গরম পানির ভাপ নিলে কি সুস্থ থাকা যায়

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩ জুন, ২০২১
  • ২৪৬ বার দেখা হয়েছে

করোনায় সংক্রমিত হলে কেউ বলছেন গরম পানিতে ভাপ নিতে। কেউ বা লবণ পানি দিয়ে কুলিকুচি করতে বলছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, কুলিকুচি করলেই যে করোনা সেরে যাবে এখনও পর্যন্ত এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তবে চিকিৎসকেদের মতে, গলা দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে শরীরে ঢোকে ভাইরাস। রক্তে তা মিশে যাওয়ার আগে গরম পানির ভাপ তা খানিকটা গলাতে সাহায্য করতে পারে।

চিকিৎসকরা বলছেন, করোনায় সংক্রমিত মানুষের শরীর দুর্বল থাকে। এ সময়ে শুধু করোনাভাইরাস নয়, অন্যান্য ব্যাকটেরিয়া-ভাইরাসও অনেক সময়ে সুযোগ বুঝে শরীরে ঢোকার চেষ্টা করে। গরম পানিতে ভাপ নিলে এবং কুলিকুচি করলে সেসব থেকে খানিকটা মুক্তি মেলে। ফলে করোনায় অনেকটাই কাজ দেয় গরম পানির ভাপ আর কুলিকুচি।

তবে সব সময়ে যে এই পদ্ধতি কাজ করবে, এমনও নয়। কোনো কোনো চিকিৎসকের মতে, সকাল আর বিকেলে হয়তো কুচিকুচি করলেন। সকালে কুলিকুচি করার পরেই যদি জীবাণু ঢোকে, তা বিকেল পর্যন্ত গলায় অপেক্ষা না-ও করতে পারে। তার আগেই হয়তো শরীরে মিশে যায় ভাইরাস। সে ক্ষেত্রে রোজ ভাপ নিয়ে আর কুলিকুচি করেও হয়তো আর আটকানো যাবে না সংক্রমণ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ভাইরাসমুক্ত হওয়ার আশায় গরম পানির ভাপ নিতে বা কুলিকুচি করতে বলা হচ্ছে না। তাদের ভাষায়, ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গলায় যদি প্রদাহ সৃষ্টি হয়, তবে তা অনেক কমে যায় গরম পানির ভাপে। এছাড়া বারবার কুলিকুচি করলে আর ভাপ নিলে রোগী আরাম পাবে।

কুলিকুচি করে বা ভাপ নিয়ে শরীর ভাইরাসমুক্ত হয়ে যাওয়ার প্রমাণ না থাকলেও, তা করা জরুরি বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। কারণ, এই পদ্ধতি রোগীকে ভালো থাকতে সাহায্য করে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026