নাইজেরিয়ায় বিমান হামলায় শতাধিক জিহাদি যোদ্ধা নিহত হয়েছে। গত সপ্তাহে দেশটির সামরিক বাহিনী এ হামলা চালায়। মঙ্গলবার নিরাপত্তা সূত্র ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত এ কথা জানিয়েছে এএফপি। সূত্র জানায়, ১৩
মিয়ানমারে উত্তরাঞ্চলের একটি জেড পাথরের খনি ধসে কমপক্ষে ৭০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। স্থানীয় সময় বুধবার ভোর ৪টার দিকে কাচিন রাজ্যের হাকান্ত এলাকায় খনি ধসের ঘটনা ঘটে। খবর বিবিসির। ওই এলাকায়
ফিলিপাইনে সুপার টাইফুন ‘রাই’-র আঘাতে মৃত্যু প্রায় ৪০০ জনের কাছাকাছি। ঘূর্ণিঝড়ের সময় দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫০০ জন। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে। দেশটির আবহাওয়াবিদরা বলছেন, পূর্বের অনুমানকে ছাড়িয়ে
ইউরোপজুড়ে নতুন করে পুনরায় ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের কারণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। পুরো মহাদেশে এই ভ্যারিয়েন্ট দ্রুত গতিতে বিস্তার লাভ করছে। এর প্রেক্ষিতে জার্মানি, পর্তুগালসহ অনেক দেশ বড়দিনের পরে করোনার বিস্তার
ভারতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ২০০ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১৩। সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন রাজধানী দিল্লিতে। এরপরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র। পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনামূলক বৈঠক করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এ
ফিলিপাইনে সুপার টাইফুন ‘রাই’-র আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭৫ জনে। ঘূর্ণিঝড়ের সময় দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত পাঁচশজন। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৫৬ জন। নিখোঁজদের সন্ধানে চলছে উদ্ধার কাজ।
যুক্তরাষ্ট্রে রীতিমতো দাবানলের মতো ছড়াচ্ছে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। দেশটিতে গত সপ্তাহে শনাক্ত মোট রোগীর ৭৩ দশমিক ২০ শতাংশই ওমিক্রন আক্রান্ত ছিল বলে জানিয়েছে আলজাজিরা। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার্স ফর ডিজিজ
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ প্রতিরোধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে আমেরিকা, কানাডা ও জার্মানিসহ ১০ দেশকে লাল তালিকাভুক্ত করেছে ইসরায়েল। লাল তালিকার বাকি দেশগুলো হল- বেলজিয়াম, হাঙ্গেরি, ইতালি, মরক্কো, পর্তুগাল,
প্রবল ঘূর্ণিঝড় টাইফুন রাইয়ের আঘাতে লন্ডভন্ড দ্বীপরাষ্ট্র ফিলিপাইনে নিহতের সংখ্যা একলাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৮ জনে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও দুই শতাধিক মানুষ এবং এখনও অর্ধশতাধিক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। সোমবার
যুক্তরাজ্যজুড়ে করোনার নতুন ধরন অমিক্রন দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ায় প্রতিদিনই দেশটিতে সংক্রমণের রেকর্ড হচ্ছে। দ্রুত সংক্রমণশীল এই ভাইরাসের কারণে সরকারি নির্দেশনা না থাকলেও যুক্তরাজ্যের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। কর্মীদের স্বাস্থ্য