রাজধানীতে আগামীকাল বৃহস্পতিবারের ক্ষমতাসীন ও সরকারবিরোধীদের পাল্টাপাল্টি শান্তি সমাবেশ ও মহাসমাবেশ ঘিরে জনমনে ব্যাপক উৎকণ্ঠা চলছে। এর মধ্যেই নিজ নিজ কর্মসূচি সফল করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি চলছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন ও খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ এক দফা দাবিতে কঠোর অবস্থানে বিএনপি। দ্রুত দাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাজপথ দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
সারা দেশে থেকে তরুন জড়ো করে এবার বড় আকারে যৌথভাবে শান্তি সমাবেশ করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের ৩ সহযোগী ও ভাতৃপ্রতীম সংগঠন যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ। ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয়
আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে উত্তপ্ত হচ্ছে রাজনীতি। নির্বাচনকালীন সরকার ইস্যুতে কোনো ছাড় দিতে রাজি নয় দেশের বড় দুই দল-আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। তাদের অনড় অবস্থানে সমঝোতার ন্যূনতম সম্ভাবনা
সরকার পতনের এক দফা দাবিতে বিএনপি পর পর কয়েকটি বড় কর্মসূচি পালন করে ঢাকায় মহাসমাবেশ ডাকায় রাজনীতিতে নানা আলোচনা চলছে। একই দিন রাজধানীতে আওয়ামী লীগের তিন সংগঠন পাল্টাসমাবেশ ডাকায় আগামীকাল
আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার সমাবেশ ঘিরে মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি। রাজপথ দখলে রাখতে দুই দলই ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। এ রকম পরিস্থিতিতে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে
আগামী বৃহস্পতিবারের শান্তি সমাবেশ সফল করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি শুরু করেছে আওয়ামী লীগের তিন সহযোগী সংগঠন। এই সমাবেশের মাধ্যমে রাজধানী ঢাকায় আরেকটি বিশাল শোডাউনের মধ্য দিয়ে রাজপথ নিজেদের দখলে রাখতে চায়
সরকার পতনের চূড়ান্ত আন্দোলনের দিকে যাচ্ছে বিএনপি। ২৭ জুলাই ঢাকায় অনুষ্ঠেয় মহাসমাবেশ থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। আসতে পারে পদযাত্রা, সমাবেশ, গণঅবস্থান, মানববন্ধন, বিক্ষোভের মতো যুগপৎ কর্মসূচি। অবস্থা বুঝে
কড়া নাড়ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ডিসেম্বরের শেষে কিংবা নতুন বছরের শুরুতে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। সে হিসেবে নির্বাচনী প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর হাতে সময় মাত্র পাঁচ মাস। এই কয়েক
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বড় সমাবেশ করার চার দিন পরই রাজধানী ঢাকায় বিএনপির আরেকটি মহাসমাবেশের উদ্দেশ্য কী, তা নিয়ে আলোচনা চলছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে। দলটির নীতিনির্ধারকদের একটি অংশ মনে করে, সরকারের ওপর