1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঢাকা ও সান্তিয়াগোতে আবাসিক মিশন খোলার সম্ভাব্যতা যাচাই বাংলাদেশ ও চিলির বঙ্গভবনে অফিস করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে নৌপ্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক করার বিষয়ে আশ্বস্ত করলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সিলেট নগরীর যানজট ও জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন মেগা প্রকল্প গ্রহণের ঘোষণা বাণিজ্য ও ব্যবসার অনুকূল পরিবেশ না থাকলে কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব নয়: পরিবেশমন্ত্রী ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র জমা বস্তুনিষ্ঠ তথ্য ও ডেটাভিত্তিক গবেষণাই প্রকৃত সাংবাদিকতার মূল ভিত্তি: তথ্যমন্ত্রী এক কোটি বা তার বেশি জমা থাকা ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়াল নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় বৈঠকে: মির্জা ফখরুল

হাইটেক পার্কের আধুনিকায়ন ও বায়োটেক পার্ক নির্মাণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬
  • ১৩ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

বিদ্যমান হাইটেক পার্কগুলোর আধুনিকায়নের পাশাপাশি দেশে একটি বিশ্বমানের বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে জাতীয় অগ্রাধিকার খাত হিসেবে উল্লেখ করে এই শিল্পের বিকাশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি, নীতিগত সহায়তা, বন্ডেড সুবিধা ও বিশেষায়িত অবকাঠামো নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নভো থিয়েটারে দুই দিনব্যাপী ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম’ এবং ‘বায়োটেকনোলজি, ইলেক্ট্রনিক্স, এআই অ্যান্ড রোবোটিক্স (বিইএআর) সামিট’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে এই সামিটের আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির সমন্বয়ে চতুর্থ এবং পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের এক নতুন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। প্রযুক্তিভিত্তিক এই যুগে সেমিকন্ডাক্টর শুধু একটি বিচ্ছিন্ন শিল্প নয়, বরং তা আধুনিক মানব সভ্যতার মূল ভিত্তি হিসেবে রূপ নিয়েছে। মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, চিকিৎসা সরঞ্জাম, কৃষি ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডাটা সেন্টার কিংবা মহাকাশ গবেষণা—প্রতিটি প্রযুক্তির কেন্দ্রেই চিপ বা সেমিকন্ডাক্টর অপরিহার্য।

বিশ্ব বাজারে চিপের জ্যামিতিক হারে চাহিদা বৃদ্ধির বিষয় তুলে ধরে তিনি জানান, ২০৩০ সালে বিশ্ব সেমিকন্ডাক্টর বাজার ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর যে পূর্বাভাস ছিল, প্রযুক্তিগত দ্রুতগতির কারণে ২০২৬ সালের মধ্যেই তা অর্জিত হতে যাচ্ছে। এই বিশাল বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের জন্য অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। নিজেদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে এই বিশ্ববাজারে প্রবেশ করা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে রপ্তানি আয়ের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ পুরোপুরি সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দেশি-বিদেশি অভিজ্ঞতার মেলবন্ধন ঘটানোর ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, মালয়েশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তিন হাজারেরও বেশি বাংলাদেশী সেমিকন্ডাক্টর পেশাজীবী অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছেন। প্রবাসে থাকা এসব প্রকৌশলী, গবেষক ও উদ্যোক্তাদের মেধা ও অভিজ্ঞতাকে দেশের প্রযুক্তি খাতের অগ্রযাত্রায় গভীরভাবে যুক্ত করতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ করা জরুরি।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন, ভেরিফিকেশন, ট্রেনিং, এমবেডেড সিস্টেম এবং অ্যাডভান্সড প্যাকেজিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে। কয়েকটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক বাজারে সফলভাবে প্রবেশ করেছে। দেশের এই উদীয়মান খাতকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া একটি যৌথ জাতীয় মিশন। এ লক্ষ্যে সরকার সেমিকন্ডাক্টর শিল্প সম্পর্কিত কাঁচামালের ওপর সব ধরনের শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। পাশাপাশি, ডিজাইন সার্ভিসের রপ্তানি আয়ের ওপর নগদ প্রণোদনা চালু এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বছরে ৫০০ কোটি টাকার ‘স্টার্ট-আপ’ অনুদান বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

দক্ষতার ঘাটতি, ল্যাবের সীমাবদ্ধতা ও আন্তর্জাতিক বাজারের কঠিন প্রতিযোগিতার মতো চ্যালেঞ্জের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন যে, তরুণদের অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সরকারের সাধ্য ও সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026