1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশে জুন মাসে ৩৩৩ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার নড়াইলে চোর সন্দেহে নির্যাতনের শিকার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু, আসামি ৫ চট্টগ্রামে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ, এক মাসেই আক্রান্ত চারগুণ ইউরোপের ৬ দেশে রেনাটার থাইরয়েড ওষুধ রপ্তানির অনুমোদন তিস্তা প্রকল্পে চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: ইয়াও ওয়েন ভরিতে ২৯১ টাকা বাড়ল রুপার দাম ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন ২০২৭ সালের হজের প্রাক-নিবন্ধন শুরু, ব্যাংক হিসাবসহ প্রয়োজনীয় তথ্যের নতুন নির্দেশনা পদ্মা রেল সেতুর ভায়াডাক্টের নিচে মাটি অপসারণে ঝুঁকি নেই: রেলমন্ত্রী ত্রিশালকে ‘নজরুল সিটি’ ঘোষণার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

তিস্তা প্রকল্পে চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: ইয়াও ওয়েন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

বাংলাদেশের তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে (টিআরসিএমআরপি) চীনের পক্ষ থেকে পূর্বঘোষিত টেকসই আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা অব্যাহত রাখার স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফর পরবর্তী দ্বিপাক্ষিক মূল্যায়ন জানাতে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকায় চীনা দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকার মানোন্নয়ন এবং আঞ্চলিক পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থে গৃহীত এই মেগা প্রকল্পে চীন তার পূর্ব অবস্থান থেকে বিন্দুমাত্র সরে আসেনি। সম্পূর্ণ বাংলাদেশ সরকারের একক এখতিয়ারাধীন এই প্রকল্পে অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক অন্য কোনো রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বেইজিংয়ের নীতিগত সিদ্ধান্তে কোনো প্রভাব ফেলবে না।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ ব্যয়ের একটি বড় অংশ সহজ শর্তে ঋণ ও কারিগরি সহায়তা হিসেবে দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। সংবাদ সম্মেলনে ইয়াও ওয়েন জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান নতুন সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্বে তিস্তা প্রকল্পটির গুরুত্ব দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের শীর্ষ এজেন্ডায় স্থান পেয়েছে। চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সামর্থ্য বৃদ্ধি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। নদীর ভাঙন রোধ, নাব্যতা বৃদ্ধি এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট নিরসনে এই সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন ভূ-রাজনৈতিক ও পানি বিশেষজ্ঞরা।

প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরকে দুই দেশের কূটনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম বড় ‘মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন চীনা রাষ্ট্রদূত। তিনি জানান, সফরকালে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ঘাটতি দূরীকরণ, ডিজিটাল অর্থনীতি, অবাধ বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সংক্রান্ত যৌথ সমীক্ষা এবং বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে গভীর সহযোগিতার বিষয়ে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারিত্বমূলক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে, যা আগামী দিনে দুই দেশের পারস্পরিক রাজনৈতিক আস্থা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করাবে।

দক্ষিণ এশিয়ার চলমান ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশের সুষম ও নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির প্রশংসা করে চীনা দূতাবাস জানায়, বেইজিং সবসময় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং নিজস্ব উন্নয়ন মডেল নির্বাচনের স্বাধীনতাকে সম্মান করে। তিস্তা প্রকল্পে চীনের এই দৃশ্যমান অবস্থান উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে তাদের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতিরই বহিঃপ্রকাশ। আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে অর্জিত যৌথ ঘোষণা ও ঐকমত্যের দ্রুত বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও ফলপ্রসূ ও গতিশীল হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026