1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে যৌথ প্রতিরক্ষার অঙ্গীকার ও ইউক্রেনের জন্য নতুন সামরিক তহবিল ঘোষণা ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যার চেষ্টা সংক্রান্ত প্রতিবেদনকে ‘ভুয়া’ বলল ইসরায়েল বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ ও প্রাণহানি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন টেইলর সুইফট ও ট্র্যাভিস কেলসি ঘানাকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে কলম্বিয়া রুদ্ধশ্বাস জয়ে শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা, কেপ ভার্দেও প্রশংসা করলেন মেসি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে আজ বিশেষ স্মরণসভা, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নাটকীয় জয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা সাইবার আইন সংস্কারে আইনজীবীদের পরামর্শ নেবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বে কারাগার থেকে আইএসআইএল বন্দিদের পালানো

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১০৪ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আল-শাদ্দাদি শহরের একটি কারাগার থেকে ইসলামিক স্টেট (আইএসআইএস) এর একাধিক বন্দি পালিয়েছে। সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কুর্দি-নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী পালিয়ে যাওয়া বন্দির সংখ্যা নিয়ে পার্থক্য রয়েছে। সরকারি সূত্র বলেছে, প্রায় ১২০ জন বন্দি পালিয়েছে, তবে এসডিএফ এর মুখপাত্র ফারহাদ শামির দাবি, এই সংখ্যা দেড় হাজারের কাছাকাছি।

এসডিএফ এবং সিরীয় সেনাবাহিনীর মধ্যে চলমান সংঘর্ষের সময় বন্দিরা কারাগার থেকে পালিয়ে যায়। সিরীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পালানো বন্দিদের খোঁজে সেনাবাহিনী ও মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বাহিনী শাদ্দাদি শহরে প্রবেশ করে। তারা স্থানীয় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে ইতোমধ্যে ৮১ জন পলাতককে পুনরায় আটক করেছে। বাকি বন্দিদের গ্রেপ্তারে অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, কারাগার থেকে বন্দিরা পালানোর পর আল-শাদ্দাদি শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিরীয় সেনাবাহিনী শহর ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। সেনারা জানায়, তারা এখন কারাগারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পালিয়ে যাওয়া বন্দিদের খোঁজে কার্যক্রম অব্যাহত রাখছে।

কুর্দি-নেতৃত্বাধীন এসডিএফ এর দাবি, তারা কারাগারের নিয়ন্ত্রণ হারায়নি বরং সেনাবাহিনীর আক্রমণের পর সংঘর্ষে জড়িত হয়। এসডিএফ জানিয়েছে, আল-আকতান কারাগারের আশপাশে সংঘর্ষে তাদের নয়জন সদস্য নিহত এবং আরও ২০ জন আহত হয়েছেন। এদিকে, তারা সেনাবাহিনীকে অভিযুক্ত করেছে যে, ইচ্ছাকৃতভাবে আইএসআইএল সদস্যদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে, সিরিয়ান অপারেশনস অথরিটি জানিয়েছে, রাক্কার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত আল-আকতান কারাগার ও শহরের নিরাপত্তা স্থাপনাগুলো ভবিষ্যতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে হস্তান্তর করা হবে। তবে সেনাবাহিনী স্পষ্ট করেনি, কারাগার থেকে মোট কতজন বন্দি পালিয়েছে।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন শহরের বিভিন্ন প্রবেশপথে নজরদারি জোরদার করেছে। স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শহরের রাস্তাগুলোতে চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে এবং সন্দেহভাজন বন্দিদের খোঁজে অভিযান চলমান রয়েছে।

পালানো বন্দিদের মধ্যে রয়েছে আইএসআইএস এর উচ্চপদস্থ সদস্য এবং সক্রিয় যোদ্ধারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঘটনা সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও সংকটাপন্ন করে তুলতে পারে। আশপাশের এলাকায় নতুন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের আশঙ্কা থাকায় নিরাপত্তা বাহিনী ও কুর্দি প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এসডিএফ এবং সিরীয় সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালীন এই বন্দি পালানোর ঘটনা, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সিরিয়ার বর্তমান রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতিতে এমন ঘটনায় আশপাশের শহর ও গ্রামগুলোতে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চল বিশেষত আল-শাদ্দাদি ও রাক্কা অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে আইএসআইএস এর কার্যক্রম ও সশস্ত্র সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কারাগার থেকে বন্দিদের পালানোর ঘটনা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026