1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সামাজিক মাধ্যমে ঢালিউড অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর গুজব চট্টগ্রামের খুলশীতে প্রাইভেটকার চাপায় এক ব্যক্তি নিহত উত্তর-পূর্ব আলজেরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ১২ জনের মৃত্যু ও ৫৪ জনের আহত হওয়ার ঘটনা চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে সীমান্তে ৬ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি ফ্রান্সে অবকাশ যাপনে তাসনিয়া ফারিণ, প্যারিসের দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখছেন অভিনেত্রী নাটোরে পায়ুপথে বিশেষ কৌশলে হেরোইন বহনের সময় দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব ছাড়ছেন টিম কুক, নতুন দায়িত্বে জন টার্নাস রংপুরে একই পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনায় আদালতে দেওয়া আসামিদের জবানবন্দি প্রকাশ সৌদি আরবের মক্কা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা, সর্বোচ্চ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি হুলিয়ান আলভারেজকে দলে ভেড়াতে ১০০ মিলিয়নের প্রস্তাব বহাল রাখল বার্সেলোনা

সাইবার আইন সংস্কারে আইনজীবীদের পরামর্শ নেবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
  • ২৪ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

দেশের সাইবার আইনকে সময়োপযোগী ও আরও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই প্রক্রিয়াকে সুসংহত ও ফলপ্রসূ করতে আইনজীবীদের কাছ থেকে দ্রুত মতামত, পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে দেশের বিচার বিভাগ এবং গণমাধ্যমের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের গণমাধ্যমের সেই ভূমিকা এখনও পুরোপুরি নিখুঁত হয়ে ওঠেনি। এই পরিস্থিতিতে সমাজে দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি। মন্ত্রীর মতে, বস্তুনিষ্ঠতাই গণমাধ্যমের একমাত্র এবং প্রধান মানদণ্ড হওয়া উচিত, যার ওপর ভিত্তি করে একটি সুস্থ সমাজ বিনির্মাণ সম্ভব।

অনুষ্ঠানে বিচার বিভাগ নিয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আইন ও বিচারবিষয়ক সাংবাদিকরা অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ এবং তাদের কাজের ক্ষেত্রটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। রাষ্ট্রের তিনটি প্রধান অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রধান অভিভাবক হিসেবে কাজ করে। একজন সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে সমাজের অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি, এমনকি সরকারপ্রধানকেও প্রয়োজনের তাগিদে বিচার বিভাগের মুখোমুখি হতে হয়। এটিই মূলত দেশের বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা ও অন্তর্নিহিত শক্তির প্রতীক বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আইন ও বিচারবিষয়ক সাংবাদিকদের দায়িত্বের গভীরতা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আইনি বিষয়ে পরিবেশিত প্রতিটি প্রতিবেদন সাধারণ পাঠকের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। আইনের জটিল বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের কাছে সহজ ও সঠিক উপায়ে পৌঁছানো অত্যন্ত জরুরি। এ কারণে প্রতিটি তথ্য অত্যন্ত সতর্কতা, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও নির্ভুলতার সঙ্গে উপস্থাপন করার জন্য তিনি সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান। ভুল বা আংশিক তথ্য বিচার প্রক্রিয়ার ওপর জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে বিধায় এই সতর্কতা আবশ্যক।

বর্তমান বৈশ্বিক তথ্যপ্রবাহের দ্রুততার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, আধুনিক যুগে প্রযুক্তির কল্যাণে তথ্য অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক সময় যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া তথ্য ছড়িয়ে পড়ার কারণে সমাজে নানামুখী বিভ্রান্তি ও অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘাতের সৃষ্টি হয়। এই প্রেক্ষাপটে আইন ও বিচারবিষয়ক সাংবাদিকদের মূল দায়িত্ব হলো তথ্যের সত্যতা সম্পূর্ণরূপে যাচাই করে তা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জনসমক্ষে তুলে ধরা। সমাজ ও রাষ্ট্রের অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করায় জনগণের আস্থা অর্জনে সাংবাদিকদের এই দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি অন্তর্বর্তীকালীন ও পরিবর্তনশীল সময় অতিক্রম করছে। এই অবস্থাটি কোনো স্থির পরিস্থিতি নয়, বরং একটি চলমান রূপান্তর প্রক্রিয়া। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাষ্ট্রের প্রতিটি সংস্থাকে ভারসাম্য বজায় রেখে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় রূপান্তরের ফলে তথ্যপ্রবাহ ও প্রযুক্তির যে ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে, তা দেশের সামগ্রিক পরিমণ্ডলে একটি নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে।

প্রযুক্তির এই আধুনিক অগ্রগতির নানা দিক বিশ্লেষণ করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন মানেই কাঙ্ক্ষিত সভ্যতার সব অর্জন সম্পন্ন হওয়া নয়। বিশেষ করে বর্তমান বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর আবির্ভাব ও ব্যবহার এক নতুন এবং জটিল বাস্তবতার জন্ম দিয়েছে। প্রযুক্তির এই দ্রুত পরিবর্তনশীল ও নতুন বাস্তবতায় সাংবাদিকতা শিল্পকেও আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে। তথ্য যাচাইয়ের সনাতন পদ্ধতির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সাংবাদিকদের আরও বেশি সচেতন, নির্ভুল এবং পেশাগত নৈতিকতার ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026