1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
উচ্চমাধ্যমিকে ৩৬ শতাংশ নিয়মিত শিক্ষার্থীর পরীক্ষা বর্জন, শঙ্কায় শিক্ষাব্যবস্থা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও শিক্ষায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনস্বীকার্য: ভূমিমন্ত্রী কর্মজীবী মায়েদের সুবিধার্থে সারা দেশে দিবা পরিচর্যা কেন্দ্র চালুর আহ্বান কেন্দ্রীয় ভেটেরিনারি হাসপাতালে মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে বড় লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা বিদ্যুৎ মন্ত্রীর সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট আক্রান্তের সংখ্যা লাখ ছাড়াল দেশের সকল নাগরিককে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনার ঘোষণা অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করল ফিফা প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবন ‘বিশেষ শ্রেণির’ কেপিআই ঘোষণা, সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আওতায় আশপাশ এলাকা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে সরকারের নতুন উদ্যোগ

জমজমের পানি বলে ট্যাপের পানি বিক্রি করছিলেন ব্যবসায়ী!

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১৮৩ বার দেখা হয়েছে

ডিজিটাল ডেস্ক

 

সাধারণ ট্যাপের পানিকে মক্কার পবিত্র জমজম কূপের পানি বলে বিক্রি করতেন তিনি। এই কাজ করে গ্রাহকের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন দীর্ঘ দিন ধরে।

gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
তবে বাইরে থেকে দেখলে তা বোঝার উপায় ছিল না। কারণ যেসব জারে এসব পানি সংরক্ষণ করা হয়েছিল, সেগুলো সব সৌদি আরবে তৈরি এবং জারগুলোতে সৌদি সরকারের লেবেল ছিল।

অবশেষে রোববার (১২ জানুয়ারি) তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫ টন (১৫ হাজার লিটার) ট্যাপের পানিও উদ্ধার করা হয়েছে। এই পানি তিনি ‘জমজমের পানি’ হিসেবে বিক্রির জন্য মজুত করেছিলেন।

গত ৫ মাস ধরে তিনি এই প্রতারণা করে আসছিলেন। পাঁচ মাসের প্রতিদিন তিনি ২০ টন করে ‘জমজমের পানি’ বিক্রি করতেন এবং দৈনিক তার আয় হতো ২২ হাজার ডলার বা ৬০ হাজার লিরা। এ পর্যন্ত অন্তত ২৫ লাখ ডলার বা ৯ কোটি লিরা (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩০ কোটি টাকা) অবৈধ মুনাফা করেছেন তিনি।

এই ঘটনা ঘটেছে তুরস্কে। এতে জড়িত বিলাল নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন, ইস্তাম্বুলসহ তুরস্কে বিক্রি হওয়া জমজমের পানির বেশিরভাগই সাপ্লাই হতো তার প্রতিষ্ঠান থেকে।

জারগুলোর ওপর লাগানো সৌদি সরকারের লেবেলগুলো যে ভুয়া, তা বিলাল স্বীকার করেছেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, সৌদি আরব থেকে আসা যানবাহন থেকে কেনা আসল জমজমের পানি তার নিজের সংগ্রহশালার কলের পানিতে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন অভিযানের আগে তিনি গ্রাহকদের কাছ থেকে কোনো অভিযোগ পাননি।

ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে জমজমের পানি অতি পবিত্র। তুরস্কে এ পানির চাহিদা অনেক বেশি। যে কোনো ধর্মীয় উপলক্ষে তুরস্কের জনগণ জমজমের পানি পান করতে চান। পবিত্র রমজান মাসে তুরস্কের বিভিন্ন দোকানে বোতল ও ক্যানজাত অবস্থাতেও বিক্রি হয় জমজমের পানি।

সূত্র: গালফ নিউজ

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026