অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে প্রভাবশালী দেশগুলোর নানামুখী চাপে সংলাপের সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে অনেকের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও দেশের বড় দুই দল আওয়ামী লীগ
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও দেশের বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এখনো বিপরীতমুখী অবস্থানে। নির্বাচনকালীন সরকার, দলগুলোকে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ছাড় না দেওয়া এবং কর্মসূচি পালনে
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা বিএনপি বিদেশিদের কাছে যায় না বলে দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ রোববার গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এই দাবি
এক দফা আন্দোলন নিয়ে আগামী জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। গত শুক্রবার দলের স্থায়ী কমিটির এক ‘বিশেষ বৈঠকে’ এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে
রাজনীতি এখন আর রাজনীতিবিদদের হাতে নেই বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে রাজনীতি ক্রমশ চলে যাচ্ছে অন্যদের দখলে। বিশেষ করে সামজের নানা স্তরে আমলাতন্ত্র প্রবলভাবে জেঁকে বসায় অনেকটাই পিছু হটতে
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ ‘সহায়ক শক্তি’ হলেও বিএনপির সামনে অগ্নিপরীক্ষা। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও নতুন ভিসা নীতি, বিদেশিদের বক্তব্য-বিবৃতিসহ নানা কৌশলে যতই ‘চাপ’ সৃষ্টি করুক না কেন–
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে আওয়ামী লীগ। মাঠের বিরোধী বিএনপি অংশ নেবে, এমনটা ধরেই নির্বাচনী রোডম্যাপ তৈরি করছে ক্ষমতাসীনরা। চলছে ইশতেহার প্রণয়নের কাজ। তৃণমূলে চলছে কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি
বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে গুম-খুন এবং নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত– এমন অভিযোগ এনে পুলিশের ৬৩২ জনের তালিকা তৈরি করেছে বিএনপি। বিদেশি দূতাবাস ও মানবাধিকার সংস্থায় এদের বিরুদ্ধে নালিশ করছে বলে দলীয় সূত্রে
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় ‘মনোনয়ন মিস’ শঙ্কায় আওয়ামী লীগের নেতা ও দলীয় সংসদ সদস্যরা। চ্যালেঞ্জিং ভোটের প্রস্তুতি হিসেবে বিতর্কিত ও অজনপ্রিয় নেতাদের এবার মনোনয়ন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন
দৃষ্টি এখন জাতীয় নির্বাচনে। ছয় মাস আগেই চাপা উত্তেজনা। কূটনৈতিক দরবারে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, এমপি-মন্ত্রী ও সুশীল সমাজের দৌড়ঝাঁপ। আন্তর্জাতিক নানা হস্তক্ষেপে সংলাপের পক্ষে-বিপক্ষে সমিকরণ চলছে। আওয়ামী লীগ বলছে— সংসদের