1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় বৃক্ষরোপণ, সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও কূটনীতিক ফেরদৌসি শাহরিয়ারের প্রয়াণ ভূমিকম্প মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক: ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত ও বিশেষ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৩৪; চলতি বছরে মোট প্রাণহানি ৫০ সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮৩১ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করল মাইলস্টোন দুর্ঘটনায় বোনহারা তাহসিন, উপহার পেল খুদে শিক্ষার্থী* ছয় মাসে রবির মুনাফায় প্রবৃদ্ধি, পতনে ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ ও নেপাল বেসরকারি মেডিকেল ও নার্সিং কলেজের বিষয়ে কঠোর হুশিয়ারি, ফিলিপাইনের সহায়তায় নার্সিং খাত উন্নয়নে ১৫০ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প পুনর্গঠিত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ড, চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় বৃক্ষরোপণ, সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

রাজধানী ডেস্ক

রাজধানীকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে দুই সিটি করপোরেশনের চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন ও সেবামূলক কার্যক্রমের গতি জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নেওয়া উদ্যোগে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করা এবং এসব কর্মসূচির নিয়মিত তদারকির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে সরকার। স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন উদ্যোগগুলোর মাঠপর্যায়ের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতেই এই কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার ঢাকায় দুই সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় চলমান বৃক্ষরোপণ, সৌন্দর্যবর্ধন, বর্জ্য অপসারণ ও নতুন ময়লার বিন প্রতিস্থাপন কার্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনায় আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এসব বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম স্পষ্ট জানান, নগরকে বাসযোগ্য করা বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারের অংশ। তবে কেবল সভা-সমাবেশ বা কাগজ-কলমের পরিকল্পনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মাঠপর্যায়ে বাস্তব কাজের অগ্রগতি দৃশ্যমান করাই এখন মূল লক্ষ্য।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ঢাকার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নতুন করে সবুজায়নের উদ্দেশ্যে দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে যৌথ ও পৃথক একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সম্প্রতি এসব কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে। স্থানীয় সরকার বিভাগ মনে করছে, সরকারের একক প্রচেষ্টার পাশাপাশি নাগরিক সমাজ ও বেসরকারি সংস্থাসমূহের সমন্বিত অংশগ্রহণ কর্মসূচিগুলোকে আরও গতিশীল ও টেকসই করবে।

উন্নয়ন উদ্যোগের ধারাবাহিকতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য নতুন কোনো বড় প্রকল্প গ্রহণের আগে চলমান পাইলট বা পরীক্ষামূলক প্রকল্পগুলোর কার্যকারিতা মূল্যায়নের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। পাইলট প্রকল্পের পর্যালোচনায় সফলতা পাওয়া গেলে পরবর্তীতে তা নগরজুড়ে বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়ন করা হবে বলে পরিকল্পনা রয়েছে। এই নীতির ফলে সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় এড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।

কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট বেশ কিছু নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। সিটি করপোরেশন এলাকাগুলোর কোন কোন স্থানে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে, কোথায় সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শেষ হয়েছে এবং নতুন কতটি ময়লার বিন স্থাপন করা হয়েছে—তার একটি হালনাগাদ ও তথ্যসমৃদ্ধ তালিকা দ্রুত প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই তথ্যসমূহ নিয়মিত মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনার জন্য জমা দিতে হবে। তথ্যভিত্তিক এই ডাটাবেজ থাকলে তদারকি কাজ সহজ হবে এবং নগরবাসী সেবার মান যাচাই করতে পারবে।

পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সভায় জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী নিজেই রাজধানীর এসব উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনমূলক কাজ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে যেন কোনো শৈথিল্য না আসে, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল ও কার্যকারিতাই হবে মূল মাপকাঠি।

রাজধানী ঢাকা দীর্ঘদিন ধরেই অপরিকল্পিত নগরায়ণ, দূষণ ও পর্যাপ্ত সবুজ জায়গার অভাবে পরিবেশগত নানা ঝুঁকির মুখোমুখি। দ্রুত বর্জ্য অপসারণের আধুনিক ব্যবস্থা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধি ছাড়া এ শহরের সার্বিক জীবনের মান বাড়ানো সম্ভব নয়। সরকারের গৃহীত ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন সিটি’ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তা নগরবাসীর জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং বায়ুদূষণ ও পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা হ্রাসে সহায়ক হবে। সব পক্ষ সম্মিলিতভাবে মাঠে কাজ করলে দ্রুতই এর ফল নাগরিকরা ভোগ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026