সারাদেশের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ফলাফল ঘোষণা করবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বার্তা (এসএমএস) পাঠিয়ে দ্রুত ফলাফল জানতে পারবে। ফলাফল জানতে যেকোনো মোবাইল থেকে DPE লিখে স্পেস দিয়ে প্রার্থীর রোল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।
এ বছর সারাদেশে মোট ৮২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হবে। এর মধ্যে শতকার ৮০ ভাগ বৃত্তি বরাদ্দ রাখা হয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য। অবশিষ্ট ২০ শতাংশ বৃত্তি পাবে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীরা। বরাবরের মতো এবারও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ‘ট্যালেন্টপুল’ (মেধাবৃত্তি) ও ‘সাধারণ গ্রেড’—এই দুই ভাগে বিভক্ত করে মাসিক ও বাৎসরিক আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে।
এর আগে পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের বাকি ৬১টি জেলায় গত ১৫ এপ্রিল থেকে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ভৌগোলিক ও স্থানীয় বাস্তবতার কারণে পার্বত্য তিন জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে বিশেষ সময়সূচি নির্ধারণ করে ১৭ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, এই বৃত্তির মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি হবে এবং তা ঝরে পড়া রোধে ভূমিকা রাখবে। একই সাথে সরকারি বিদ্যালয়ের জন্য সিংহভাগ বৃত্তি নির্ধারিত থাকায় প্রান্তিক অঞ্চলের সাধারণ পরিবারের শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় যুক্ত থাকার হার বৃদ্ধি পাবে।