1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিলেটে মার্কিন বিনিয়োগ ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে গভীর মতবিনিময় করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন দামেস্কে বিস্ফোরণের মধ্যেও ফরাসি প্রেসিডেন্টের সিরিয়া সফর অব্যাহত বাংলাদেশ ও বিমসটেক মহাসচিবের বৈঠক: আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ের প্রধান পরীক্ষা ‘এনএস১’ (NS1) আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বিনামূল্যে করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে ইতিহাসের সবচেয়ে কার্যকর সংসদ করার আহ্বান চিফ হুইপের লিবিয়ায় বন্দি ১৭৪ অনিয়মিত বাংলাদেশি দেশে প্রত্যাবর্তন জাপানি স্থপতির নকশায় শিশু গ্রন্থাগার নির্মাণ দ্রুত করার আশ্বাস হাইওয়ে পুলিশের নতুন অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে ফারুক আহমেদের দায়িত্ব গ্রহণ যুক্তরাজ্যের সাথে সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ: নারী উন্নয়ন ও লিঙ্গ সমতা অর্জনে যৌথ উদ্যোগের ঘোষণা

শ্রমবাজার বহুমুখীকরণ ও দক্ষতা উন্নয়নে আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এক কোটি বাংলাদেশি কর্মীর জন্য বৈদেশিক কর্মসংস্থানের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। শ্রমবাজার বহুমুখীকরণ, ব্যাপক দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, সেবা ডিজিটালাইজেশন এবং প্রবাসী কল্যাণমূলক কর্মসূচি সম্প্রসারণের মাধ্যমে এই রোডম্যাপ বাস্তবায়ন করা হবে। মধ্যপ্রাচ্যের গতানুগতিক বাজারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি এবং অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও সাশ্রয়ী করতে নানামুখী সংস্কার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

বর্তমানে প্রতিবছর গড়ে ১১ থেকে ১২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বিদেশে পাড়ি জমান। এই সংখ্যাকে ক্রমান্বয়ে বাড়িয়ে পাঁচ বছরে এক কোটিতে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সরকারের। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলো থেকে ইতিমধ্যে প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ কর্মীর সম্ভাব্য চাহিদার পূর্বাভাস পাওয়া গেছে, যা এই লক্ষ্য অর্জনের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। সরকারি কৌশল বাস্তবায়নে মূলত চারটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে: অভিবাসন প্রক্রিয়া সহজীকরণ, অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং প্রবাসী কল্যাণ জোরদারকরণ।

দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভরতা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসনে সম্পূর্ণ বিদেশগমন প্রক্রিয়াকে ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর ফলে অভিবাসন ছাড়পত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অনলাইনেই জমা দেওয়া যাবে। এছাড়া, কর্মী শোষণ রোধে দেশভিত্তিক সুনির্দিষ্ট অভিবাসন ব্যয় কাঠামো প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ব শ্রমবাজারের পরিবর্তনশীল চাহিদার আলোকে দেশের ১১০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে (টিটিসি) আধুনিকায়ন করা হচ্ছে, যাতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতায় সক্ষম কর্মী তৈরি করা সম্ভব হয়। পাশাপাশি একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে, যেখান থেকে বিদেশি নিয়োগকর্তারা সরাসরি দক্ষ কর্মী বাছাই করতে পারবেন।

ঐতিহ্যগত মধ্যপ্রাচ্যের বাজারের বাইরে ইউরোপ এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে নতুন শ্রমবাজার সম্প্রসারণে জোর দিচ্ছে সরকার। জনমিতিক পরিবর্তন ও প্রযুক্তির প্রসারের কারণে এসব অঞ্চলে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশভিত্তিক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। জাপানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১ লাখ কর্মী পাঠানোর চুক্তিটি বর্তমানে মূল্যায়ন পর্যায়ে রয়েছে এবং কর্মীদের দক্ষতা ও শৃঙ্খলা বজায় থাকলে নিয়োগের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর লক্ষ্যে দুই দেশের যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সংশোধনে কাজ করছে, যেখানে শূন্য-খরচ ও মধ্যস্বত্বভোগীহীন স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

প্রবাসী কর্মীদের জন্য ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংকিং সুবিধা ও কিউআর-কোড সম্বলিত ডিজিটাল ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশে ফিরে আসা প্রবাসীদের পুনর্বাসন ও বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল, স্কিল ইনভেস্টমেন্ট পার্ক, আবাসন প্রকল্প এবং ‘প্রবাসী সিটি’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। এছাড়া প্রবাসীদের সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি, অসুস্থ কর্মীদের আর্থিক অনুদান এবং ক্ষতিগ্রস্ত নারী কর্মীদের পুনর্বাসন সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার মাধ্যমে সম্পূর্ণ অভিবাসন প্রক্রিয়াকে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026