1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বর্তমান সরকারের প্রথম ছয় মাসে দেশের অর্থনীতি: ১২ সূচকে অগ্রগতি, ১৯টিতে অবনতি নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইন বিস্ফোরণে ইউক্রেনের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করলেন জেলেনস্কি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার বিএনপি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে: নাহিদ ইসলাম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল বা সংগঠন ছাড়া রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে কোনো বাধা নেই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণে ল্যান্ড বর্ডার ও বর্ডার হাট চালুর বিষয়ে ঢাকা ও দিল্লির আলোচনা মোটরযান ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সময়সীমা ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়াল সরকার ১৭ বছরে গ্যাস আমদানির নামে লুটপাট: জ্বালানি সংকট নিরসনে আমদানিনির্ভরতা কমানোর পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে কাজ চলছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফর ২১ সেপ্টেম্বর

ফিফা বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচের জন্য ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’ বল উন্মোচন

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৩ বার দেখা হয়েছে

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বিশ্বকাপ ফুটবলের চূড়ান্ত ও জমজমাট পর্বকে সামনে রেখে সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনালের জন্য নতুন অফিসিয়াল বল উন্মোচন করা হয়েছে। বিশ্বখ্যাত ক্রীড়া সামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস বিশেষ নকশার এই বলটি বাজারে এনেছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’। টুর্নামেন্টের শেষ চারটি নির্ধারণী ম্যাচেই মাঠের লড়াইয়ে বিশ্বসেরা ফুটবলারদের পায়ে দেখা যাবে এই বলটি।

গত বছরের অক্টোবরে উন্মোচিত হওয়া মূল ‘ট্রিওন্ডা’ অফিসিয়াল ম্যাচ বলের উন্নত সংস্করণ হিসেবে এই নতুন বলটি তৈরি করা হয়েছে। এর আগের সংস্করণের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, স্থায়িত্ব ও পারফরম্যান্সের মান সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত রাখা হলেও বাহ্যিক নকশায় আনা হয়েছে এক বিশেষ রূপান্তর। বিশ্বকাপের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও চূড়ান্ত ম্যাচগুলোর গুরুত্ব ও গৌরবকে বিশ্ববাসীর সামনে ফুটিয়ে তুলতেই আলাদা ডিজাইনের এই বল প্রস্তুত করেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম টুর্নামেন্টের শেষ চার ম্যাচের জন্য শুধু রঙ পরিবর্তন করার প্রথাগত ধারা থেকে বেরিয়ে এসেছে অ্যাডিডাস। ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’-এর বিশেষ নকশায় মূলত বিশ্বসেরা হওয়ার প্রতীকী যাত্রাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বলটির মূল ভিত্তি হিসেবে কালো রঙ ব্যবহার করা হয়েছে এবং তার ওপর সোনালি অলংকরণের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ট্রফির একটি দৃষ্টিনন্দন প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা বলটিকে একটি স্বতন্ত্র, আকর্ষণীয় ও রাজকীয় রূপ দিয়েছে।

নকশার আরেকটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো, এতে বৈশ্বিক এই মহোৎসবের ১৬টি স্বাগতিক শহরের নাম নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিশেষ করে সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ও ফাইনাল ম্যাচের আয়োজক শহর ডালাস, আটলান্টা, মায়ামি ও নিউ জার্সিকে প্রধানভাবে হাইলাইট করা হয়েছে। এর পাশাপাশি বোস্টন, গুয়াদালাহারা, হিউস্টন, কানসাস সিটি, লস অ্যাঞ্জেলেস, মেক্সিকো সিটি, মনতেরে, ফিলাডেলফিয়া, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া, সিয়াটল, টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারের নামও ত্রিভুজাকৃতির বিশেষ গ্রাফিক উপাদানের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তিন স্বাগতিক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ সংহতি এবং বিশ্বকাপের ভৌগোলিক বিস্তৃতিকে বৈশ্বিক মঞ্চে প্রতিফলিত করা হয়েছে।

নতুন এই বল উন্মোচন উপলক্ষে আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশনের (ফিফা) সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচের জন্য বিশেষায়িত এই বলটি নিয়ে আসতে পেরে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে মূল ‘ট্রিওন্ডা’ বলটি প্রতিটি গোলের মুহূর্তে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের যেভাবে আলোড়িত করেছে, নতুন সংস্করণটি সেই ধারাকে আরও উঁচুতে নিয়ে যাবে। এই বলটি তিন স্বাগতিক দেশের ঐক্য এবং ফুটবলের প্রতি তাদের সম্মিলিত আবেগের একটি অনন্য প্রতীক হিসেবেও কাজ করবে।

ফিফা সভাপতি আরও উল্লেখ করেন, ফুটবলের সবচেয়ে বড় ও মহিমান্বিত ম্যাচগুলোতে বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের পায়ে থাকবে এই বল। মাঠের প্রতিটি স্পর্শ, পাস, শট, সেভ ও গোলের সঙ্গে টুর্নামেন্টের ১৬টি স্বাগতিক শহরের অবদানও বিশ্বকাপের সুদীর্ঘ ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

শুধু নান্দনিক নকশাতেই নয়, আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়েও এই বলটিকে করা হয়েছে যুগোপযোগী। ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’-এ যুক্ত করা হয়েছে অ্যাডিডাসের অত্যাধুনিক ‘কানেক্টেড বল প্রযুক্তি’। এই উন্নত সিস্টেমের মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে বলের সুনির্দিষ্ট গতিবিধি, অবস্থান ও গতি সংক্রান্ত বিভিন্ন ডেটা বা তথ্য লাইভ সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। এই প্রযুক্তি ভিডিও সহকারী রেফারি (ভিএআর) ব্যবস্থাকে আরও নিখুঁত ও কার্যকর করতে সরাসরি সহায়তা করবে। এর ফলে অফসাইড বা গোললাইনের মতো অন্যান্য জটিল ও স্পর্শকাতর সিদ্ধান্ত দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে নিতে ম্যাচ রেফারিদের কাজ অনেক সহজ হবে। পাশাপাশি ম্যাচ-পরবর্তী গভীর কৌশলগত বিশ্লেষণেও এই ডেটা নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026