1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষাব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক মান নিয়ে পরিবর্তনের ঘোষণা নতুন শিক্ষামন্ত্রীর ভ্যাটিকান অংশ নেবে না ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ড’-এ দেশে ভয়মুক্ত গণমাধ্যম পরিবেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি নতুন তথ্যমন্ত্রীর কুছ কুছ হোতা হ্যায়-এর রানি মুখার্জির চরিত্রে রাভিনা ট্যান্ডনের সম্ভাবনা ছিল নতুন সরকারের প্রথম কর্মদিবসে সাভারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ডলার চুরির মামলায় প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ রয়েল এনফিল্ড উদযাপন করল বাংলাদেশে কার্যক্রমের প্রথম বর্ষপূর্তি, উন্মোচন Classic 350 ও Meteor 350 সৌদি আরবে রমজান মাসে পবিত্র মসজিদগুলোর প্রস্তুতি তদারকি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এক বছরের অভিযান: ১৭ হাজার ৫১৬ কোটি টাকার নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে জটিলতা নিরসনে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের ভূমিকা, জানালেন পিসিবি চেয়ারম্যান

ঈদে এক কোটি দুস্থ পাবেন ১০ কেজি করে চাল

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০
  • ১১৮ বার দেখা হয়েছে

আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় দেশের বন্যা ও অন্যান্য দুর্যোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ছাড়াও দুস্থ, অতিদরিদ্র ব্যক্তি ও পরিবারকে বিনামূল্যে ১০ কেজি করে চাল দেবে সরকার।

এজন্য এক কোটি ছয় হাজার ৮৬৯টি ভিজিএফ কার্ডের বিপরীতে এক লাখ ৬৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়ে মঙ্গলবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চিঠি দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

সেখানে বলা হয়েছে, ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ৬৪ জেলার ৪৯২টি উপজেলা এবং ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ ক্যাটাগরির ৩২৮টি পৌরসভার অতিদরিদ্র ও অসহায় দুঃস্থ পরিবার প্রতি ১০ কেজি করে চাল দিতে ৮৭ লাখ ৭৯ হাজার ২০৩টি ভিজিএফ কার্ডের বিপরীতে ৮৭ হাজার ৭৯২ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া পৌরসভার জন্য ১২ লাখ ২৭ হাজার ৬৬৬টি ভিজিএফ কার্ডের বিপরীতে ১২ হাজার ২৭৬ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ খাদ্যশস্য আগামী ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে ডিসিদের উত্তোলন করতে হবে।

বরাদ্দপত্রে বলা হয়েছে, জেলা প্রশাসকরা ভিজিএফ বরাদ্দের বিষয়ে নিজ নিজ এলাকায় সংসদ সদস্যদের অবহিত করবেন। ভিজিএফ উপকারভোগী বাছাইয়ে ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক বরাদ্দকৃত ভিজিএফ কার্ড সংখ্যা পুনঃবিভাজন করে তালিকা তৈরি করতে হবে।

দুস্থ বা অতিদরিদ্র ব্যক্তি বা পরিবারকে এই খাদ্য সহায়তা দিতে হবে জানিয়ে বরাদ্দপত্রে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বন্যাক্রান্ত ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দুস্থ ও অতিদরিদ্ররা অগ্রাধিকার পাবেন।

সরকারের বেঁধে দেওয়া ১২ শর্তের মধ্যে চারটি পূরণ করে এমন ব্যক্তি বা পরিবারকে দুস্থ হিসেবে গণ্য করে সহায়তা দিতে হবে।

১২ শর্ত হচ্ছে-যে পরিবারের মালিকানায় কোনো জমি নেই বা ভিটাবাড়ি ছাড়া কোনো জমি নেই। যে পরিবার দিনমজুরের আয়ের উপর নির্ভরশীল। যে পরিবার মহিলা শ্রমিকের আয় বা ভিক্ষাবৃত্তির উপর নির্ভরশীল। যে পরিবারে উপার্জনক্ষম পূর্ণ বয়স্ক কোনো পুরুষ সদস্য নেই। যে পরিবারে স্কুলগামী শিশুকে উপার্জনের জন্য কাজ করতে হয়। যে পরিবারে উপার্জনশীল কোনো ব্যক্তি নেই। যে পরিবারের প্রধান স্বামী পরিত্যক্তা, বিচ্ছিন্ন বা তালাকপ্রাপ্তা মহিলা রয়েছে। যে পরিবারের প্রধান অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা। যে পরিবারের প্রধান অস্বচ্ছল ও অক্ষম প্রতিবন্ধী। যে পরিবার কোনো ক্ষুদ্রঋণ প্রাপ্ত হয়নি। যে পরিবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হয়ে চরম খাদ্য বা অর্থ সংকটে পড়েছে এবং যে পরিবারের সদস্যরা বছরের অধিকাংশ সময় দু’বেলা খাবার পায় না।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ইউনিয়ন বা পৌরসভা ভিজিএফ কমিটি কর্তৃক প্রকাশ্য সভায় বর্ণিত তালিকা প্রণীত ও প্রত্যায়িত হতে হবে। জেলা বা উপজেলা খাদ্যগুদাম থেকে বিতরণ কেন্দ্র পর্যন্ত চাল পৌঁছানোর পরিবহন ও আনুষাঙ্গিক খরচ সরকারি খাত থেকে বহন করতে হবে।

ভিজিএফ উপকারভোগীর তালিকা এমনভাবে করতে হবে যাতে কোনো অবস্থাতেই একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি ভিজিএফ বরাদ্দ না পায়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2021 deshmediabd.com