1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মাঠে নামার আগেই সেমিফাইনালে তুলে দেওয়া হলো ভারতকে জাদুকরী ফ্রি কিক মেসির, গোলকিপারের শেষ সময়ের ভুলে মায়ামির হার বাংলাদেশে অল্প বয়সে আকস্মিক মৃত্যুর প্রধান পাঁচটি কারণ কী কক্সবাজার বিমানবন্দরে নতুন টার্মিনাল থেকে ফ্লাইট চলাচল শুরু ২২ অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়েতে অবৈধ লেনদেন, সর্তক করল বাংলাদেশ ব্যাংক শিক্ষক দিবসে ১০০ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেবেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকার চাঁদ উদ্যানে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৮ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিএনপি-জামায়াতসহ ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল বুক ফাটিয়ে বলব ওরা রাজাকার, বাংলার রাজনীতিতে ওদের স্থান নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নায়কের ‘স্ত্রীর আপত্তিতে’ সিনেমা থেকে বাদ পড়েন তাপসী পান্নু

ডিসি হিলে নববর্ষ উদযাপন: সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরার আহ্বান

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৭ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রাম — জেলা প্রতিনিধি

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, বাংলা নববর্ষ উদযাপনের মাধ্যমে সমাজের ধর্ম, বর্ণ ও গোত্র নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) চট্টগ্রামের ডিসি হিল প্রাঙ্গণে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে যে শৈল্পিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন পর এ ধরনের সমন্বিত ও বৈচিত্র্যময় আয়োজন অনুষ্ঠিত হওয়ায় তা সবার জন্য উৎসাহব্যঞ্জক হয়ে উঠেছে। তার বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, নববর্ষকে কেন্দ্র করে আয়োজিত র‌্যালি, আবৃত্তি, নৃত্য ও সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ‘রংধনু জাতি’ গঠনের প্রত্যয়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, নববর্ষের এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সেই প্রত্যয়ের প্রতিফলন দেখা গেছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায়ের মানুষ একত্রিত হয়ে যে পরিবেশ তৈরি করেছে, তা ভবিষ্যতে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কোনো আয়োজনকে কেবল আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে তা প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে না। বরং সমাজের সকল স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ ও সাংস্কৃতিক সম্পৃক্ততা থাকলে সেটি অর্থবহ হয়ে ওঠে। নববর্ষের এ আয়োজন তারই একটি উদাহরণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন এবং মহানগর পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলীসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা।

বক্তারা নববর্ষ উদযাপনের মাধ্যমে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, এ ধরনের আয়োজনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ সামাজিক সম্প্রীতি ও সহনশীলতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে নববর্ষকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। এতে স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন। পাশাপাশি বাঙালি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত র‌্যালিও অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন বয়সী মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের পর প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন চট্টগ্রামের সিআরবি শিরিষতলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত আরেকটি নববর্ষ বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। সেখানে তিনি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান এবং এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয় বলে মন্তব্য করেন।

চট্টগ্রামে নববর্ষ উদযাপনের এসব আয়োজনকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, প্রশাসন ও নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026