1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশের বাজারে টানা তিন দফা কমার পর ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে বৃদ্ধি ৫৪৮২ টাকা সংখ্যালঘু নয়, সবাই এ দেশের নাগরিক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরের দখলকৃত জমি ফিরিয়ে দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদীয় কমিটির সভাপতি হলেন বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির নির্দেশ চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের জাতিসংঘে টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নারীর নেতৃত্ব বাড়ানোর তাগিদ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে আরও ১০টি স্থায়ী কমিটি গঠিত: সভাপতি হলেন যারা উপজেলা পর্যায়ের তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ২০ লাখ টাকার বিশেষ অর্থায়ন কর্মসূচি চালু করছে বাংলাদেশ ব্যাংক কক্সবাজারকে মাদকমুক্ত না করে দায়িত্ব ছাড়বেন না ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী

জাতিসংঘে টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে নারীর নেতৃত্ব বাড়ানোর তাগিদ বাংলাদেশের

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে
বাংলাদেশ ডেস্ক
সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলেই কেবল টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান এই মন্তব্য করেছেন। একইসঙ্গে তিনি বৈশ্বিক শান্তি বিনির্মাণ কার্যক্রমে নারীর নেতৃত্বকে আরও এগিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর ও জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক কর্মসূচির উচ্চপর্যায়ের ফোরাম’-এ বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই আহ্বান জানান। ফোরামের আলোচনায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় নারীর নেতৃত্ব জোরদার করার লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন। তার উপস্থাপিত অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে রয়েছে—শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা; কিশোরী ও তরুণ নারীদের নেতৃত্ব বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার এবং ডিজিটাল স্বাক্ষরতা বৃদ্ধিতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করা; এবং সংঘাত প্রতিরোধ, মানবিক সহায়তা প্রদান, কমিউনিটির সহনশীলতা বৃদ্ধি, সামাজিক সংহতি এবং সামগ্রিক শান্তি বিনির্মাণে নারী-নেতৃত্বাধীন স্থানীয় সংগঠনগুলোকে টেকসই ও লক্ষ্যভিত্তিক আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদান করা।
রাষ্ট্রদূত আইরিন খান তার বক্তব্যে বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রক্রিয়ার বর্তমান বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরে জানান যে, আন্তর্জাতিকভাবে ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা থাকা সত্ত্বেও শান্তি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন স্তরে নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনও প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট কম। তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, শান্তি ও নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোতে নারীদের জীবন ও ভবিষ্যৎ সরাসরি জড়িত থাকলেও প্রায়শই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তাদের পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয় বা উপেক্ষা করা হয়। এই কাঠামোগত বৈষম্য ও প্রতিকূলতা দূর করতে বৈশ্বিক পর্যায়ে সুসমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর তিনি জোর দেন।
আলোচনাকালে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর ভূমিকা বাড়াতে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের দৃঢ় রাজনৈতিক অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বিভিন্ন মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীরা পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে চলেছেন। পাশাপাশি, তিনি দেশের ভেতরে তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে জাতীয় নাগরিক সমাজে মানবাধিকার রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নারী নেতৃত্বের অগ্রণী ভূমিকার কথা সবিস্তারে তুলে ধরেন।
বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের এই উচ্চপর্যায়ের ফোরামে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নারীর ক্ষমতায়ন ও শান্তি প্রক্রিয়ায় তাদের অর্থবহ অংশগ্রহণের দাবিটি আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করবে। বর্তমান বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে সংঘাতময় পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর অন্তর্ভুক্তি যে অপরিহার্য শর্ত, বাংলাদেশের এই অবস্থান সেই বার্তাই নতুন করে জোরালো করেছে। টেকসই উন্নয়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে নারীর নেতৃত্ব বিকাশ ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তাদের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টি বিশ্বব্যাপী এখন আরও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026