1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ক্রিকেটে ফের রাজনীতি: পাকিস্তানি মন্ত্রীর হাত থেকে ট্রফি নিল না ভারত বর্তমানে দেশজুড়ে বাকস্বাধীনতা অবারিত : সাইফুল হক | আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাই জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী | আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবসা সম্প্রসারণে সরকারের সহযোগিতা চায় বিজিবিএ আসিফ মাহমুদ / বিদেশে ১ পয়সা বিনিয়োগের প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেবো দালালের খপ্পরে না পড়ে বৈধ পথে বিদেশ যেতে হবে: ডিসি ঝালকাঠি জিন্নাহর ছবি ভেঙে তৈয়ব বললেন, ‘এটা শেখ মুজিব ও ভাসানীর বাংলাদেশ’ জামানত ছাড়াই তরুণ উদ্যোক্তারা পাচ্ছেন ২০ লাখ টাকা ভারতে পুরস্কার জিতল বাংলাদেশের দুই সিনেমা গবেষণা ও উদ্ভাবন ফান্ড গঠনের আহ্বান ড. তিতুমীরের | জাতীয়

আসন্ন বিপিসি ও জ্বালানি আমদানির চাপ সামলাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫ কোটি ডলার ক্রয়

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪৯ বার দেখা হয়েছে
অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রায় তিন মাস বিরতির পর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিলাম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৫ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে মোট চারটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এই বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে এই নিলাম কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এর আগে সর্বশেষ গত ২০ মে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নিকট থেকে ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর হাতে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ তুলনামূলক বৃদ্ধি পেয়েছে। এর বিপরীতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি মন্থর থাকায় আমদানি দায় পরিশোধের চাপ আগের তুলনায় কিছুটা কম রয়েছে। ফলস্বরূপ, চাহিদার তুলনায় ডলারের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় বিগত কিছুদিন ধরে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে বৈদেশিক মুদ্রার দর নিম্নমুখী ধারায় ছিল। মঙ্গলবারের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সকালে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বিভিন্ন রেমিট্যান্স হাউজ থেকে প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৪০ পয়সা দরে সংগ্রহ করছিল। একই সঙ্গে আমদানি ঋণপত্র বা এলসি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ডলারের দর ছিল ১২২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে। বাজারে ডলারের দর অতিরিক্ত পতন রোধ করে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই হস্তক্ষেপে ব্যাংকগুলো ডলার বিক্রির সুযোগ পায়।
এদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই ডলার ক্রয়ের ঘোষণায় মুদ্রাবাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে। সাধারণত বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিলে তা সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যেই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে অবহিত করা হয়ে থাকে। তবে মঙ্গলবার সকালে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই দুপুরের দিকে হঠাৎ কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ডলার ক্রয়ের বিষয়টি ব্যাংকগুলোকে জানানো হয়। এর ফলে সকালের দিকে ব্যাংকগুলো তুলনামূলক কম দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহ ও এলসি নিষ্পত্তি করলেও দুপুরের পর পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। বাংলাদেশ ব্যাংক ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দর ঘোষণা করার পর বিকালের দিকে বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার দর কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো নতুন দরে লেনদেন সম্পন্ন করে।
সাম্প্রতিক সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অস্থিরতা ও দরের বড় ধরনের ওঠানামা পরিলক্ষিত হচ্ছে। ব্যাংকারদের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ডলারের দরে প্রায় দেড় টাকার তারতম্য দেখা গেছে। গত সপ্তাহের শেষভাগে প্রতি ডলারের বিনিময়মূল্য ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল, অথচ তার ঠিক কিছুদিন পূর্বে তা ১২২ টাকায় নেমে এসেছিল। মুদ্রাবাজারের এই দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির কারণে আমদানিকারক, ব্যাংকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে একধরনের অনিশ্চয়তা কাজ করছে। ঝুঁকি এড়াতে অনেক করপোরেট গ্রাহক ও আমদানিকারক এখন ফরওয়ার্ড বুকিংয়ের মাধ্যমে আগাম বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহের প্রতি ঝোঁক বাড়াচ্ছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, আগামী মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) জ্বালানি তেল আমদানির বড় অংকের এলসি পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ওই সময় বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নিলাম কার্যক্রম বাজারে একটি কার্যকর নিম্নসীমার বা ফ্লোরের ইঙ্গিত দিয়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026