1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে বছরব্যাপী নানা আয়োজন সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন খসড়া পর্যালোচনায় ৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন সবাই মিলেমিশে থাকাই বাংলাদেশের আবহমান কালের মূল মূল্যবোধ: প্রধানমন্ত্রী দেশে জুন মাসে ৩৩৩ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার নড়াইলে চোর সন্দেহে নির্যাতনের শিকার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু, আসামি ৫ চট্টগ্রামে হু হু করে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ, এক মাসেই আক্রান্ত চারগুণ ইউরোপের ৬ দেশে রেনাটার থাইরয়েড ওষুধ রপ্তানির অনুমোদন তিস্তা প্রকল্পে চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: ইয়াও ওয়েন

নববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৭ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দেওয়া এক বার্তায় তিনি নববর্ষের তাৎপর্য তুলে ধরে সকলের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির কামনা করেন।

বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের সূচনালগ্ন এবং এটি বাঙালির ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। প্রতিবছর এই দিনটি নতুন সম্ভাবনা ও প্রত্যাশা নিয়ে আসে এবং মানুষকে অতীতের সীমাবদ্ধতা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলা নববর্ষের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি ও প্রকৃতিনির্ভর জীবনযাত্রার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কৃষিকাজের সময়সূচি নির্ধারণে প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখার ঐতিহ্য এখনও বহাল রয়েছে। একই সঙ্গে বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা এবং হালখাতার মতো বিভিন্ন আয়োজন বাঙালির দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধারণ করে এবং সমাজে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদার করে।

প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের উল্লেখ করে বলেন, জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। তিনি জানান, জনগণের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারি কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড এবং খাল খনন কার্যক্রম চালুর কথা উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিবসহ অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালুর বিষয়টিও তুলে ধরেন। নববর্ষের প্রথম দিন থেকে কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলেও তিনি জানান, যা কৃষি খাতের উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সমাজে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সহনশীলতা, উদারতা এবং সম্প্রীতির চর্চা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে। তিনি বহুমতের সহাবস্থান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটের উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ব বর্তমানে বিভিন্ন সংকট ও সংঘাতের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

নববর্ষ উপলক্ষে তিনি সকলকে সংকীর্ণতা ও ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে অতীতের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করার কথা বলেন।

বার্তার শেষে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026