রাজধানী ডেস্ক
রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঘাটতির কারণে বুধবার (১১ মার্চ) সকাল থেকে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে। মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকরা তেল নিতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছেন। কয়েকটি পাম্প এখনও স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি।
সকালে দেখা গেছে, ফজরের নামাজের পর বা সাহরি শেষে অনেক চালক লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কিছু চালক গভীর রাত থেকেই পাম্পে উপস্থিত ছিলেন। এই পরিস্থিতি শহরের বিভিন্ন এলাকায় যানজট এবং অতিরিক্ত ভোগান্তি সৃষ্টি করছে।
পাম্পের কর্মীরা জানান, তেলের মজুদ কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে, সরকারের নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ীই তেলের সরবরাহ হচ্ছে। তারা আশা করছেন, ধীরে ধীরে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
চালকরা অভিযোগ করেছেন, তেল ক্রয় ও ব্যবহারে স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তারা জানিয়েছেন, কেউ কেউ তেল অবৈধভাবে মজুদ করছে, যা বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে।
রাজধানীতে এই পরিস্থিতি কয়েকদিন ধরে চলতে থাকা তেল সংকটের ধারাবাহিকতা নির্দেশ করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করলে ভোগান্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তেলের চাহিদা এবং সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে কাজ করা হচ্ছে। তারা ক্রেতাদের ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানিয়েছেন এবং তেল বিতরণের সময়সূচি আরও সুষ্ঠু করার জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছেন।
রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দীর্ঘ লাইনের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও ছোট গাড়ি চালকদের জন্য এই পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি প্রতিকূল।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বাজারে অবৈধ মজুদ নিয়ন্ত্রণ ও সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের সমস্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে।