1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিটি করপোরেশন বহির্ভূত বিরোধী দলীয় আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব ৩২ জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেললাইনের ওপর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: তিন ধাপে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের রূপরেখা ঘোষণা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল যাত্রাবাড়ীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৩ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিওন চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

খানসামায় দারিদ্র্য আর প্রতিকূলতা জয় করে সফল ভ্যানচালকের মেয়ে সূর্বণা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৯ মে, ২০১৭
  • ২২৩ বার দেখা হয়েছে

মোঃরকিবুল ইসলাম (রকি), খানসামা(দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দিনাজপুর জেললার খানসামায় দরিদ্র্যতাকে উপেক্ষা করে এসএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে নাজমুন আরা সুবর্ণা।
সে উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের হাসিমপুরের পালোয়ানপাড়ার ভ্যান চালক ওবায়দুর রহমানে কন্যা। দুই বোনের মধ্যে সুবর্ণা বড়।
সে এ বছর হাসিমপুর আওকড়া মসজিদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। বিদ্যালয়টি উচ্চ বিদ্যালয় শাখার অনুমতি প্রাপ্ত হয়ে দ্বিতীয়বারের এস এস সি ব্যাচের পরীক্ষার্থী সূর্বণা।
ভ্যান চালাক পিতার উপার্জন আর মায়ের হাঁস-মুরগি পালনের অর্থে চলা সংসারে শত কষ্ট থাকলে অভাব-অনটনকে পাত্তা দেয়নি সুবর্ণা। সে তার ভবিষ্যত আলোকিত করতে পড়া লেখার সাথে গভীর বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছে। তারই পড়ালেখার প্রতি এত আগ্রহ দেখে তার পড়ালেখার খরচ চালাতে অনেক সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন।
সুবর্ণা ২০১৪ সালে ওই বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ অর্জন করে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি প্রাপ্ত হয়। এছাড়াও ২০১৬ সালে উপজেলা পর্যায়ে মেধা অন্বেষণে অংশ গ্রহণ করে প্রথম স্থান এবং একই সালে রচনা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অধিকার করে। তার অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও প্রতিভা দেখে উপজেলা প্রশাসন পড়া লেখার খরচ চালাতে নগদ অর্থ প্রদান করেন।
সুবর্ণার ইচ্ছা সুশিক্ষিত হয়ে স্কুল শিক্ষক হওয়া। সে লক্ষ অর্জনে পরিবারের হাজারো অভাব-অনটনকে উপেক্ষা করে পড়া লেখা করতে চায় সুবর্ণা। তার মা বাবার ইচ্ছা মেয়ের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখার। এজন্য তারাও সাধ্যমত সহযোগিতা করছে মেয়েকে। তার ছোট বোন মোবাশ্বিরা ইতি একই বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণিতে অধ্যয়ন করছে।
এবিষয়ে সূর্বণার বাবা ওবায়দুর রহমান জানান, মেয়ের ইচ্ছাশক্তি আমাদেরকে আশার আলো দেখাচ্ছে ।
অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুল হক চৌধুরী জানান, মেয়েটির পারিবারিক অবস্থা ভালো নয় তবে তার পড়া লেখা ভালো। আমরা তার জীবনে সফলতার জন্য সাধ্যমতে সহযোগিতা করব।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026