1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিটি করপোরেশন বহির্ভূত বিরোধী দলীয় আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব ৩২ জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেললাইনের ওপর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: তিন ধাপে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের রূপরেখা ঘোষণা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল যাত্রাবাড়ীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৩ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিওন চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

রাজশাহী বিভাগে শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৭ বার দেখা হয়েছে

সারাদেশ ডেস্ক

রাজশাহী বিভাগে হামে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও পাবনা জেলায় এই রোগের প্রাদুর্ভাব অন্য জেলাগুলোর তুলনায় বেশি দেখা গেছে। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা সর্বাধিক।

চলতি মাসে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হাম রোগের চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৯ জনকে আইসিইউতে নেওয়ার পরও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। শনিবার (২৮ মার্চ) তিন শিশুকে আইসিইউতে নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সংক্রমণের মূল অংশই ৬ থেকে ৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে concentrated, তবে দুই বছর বয়সী শিশুরাও আক্রান্ত হয়েছে।

রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে কিছু বিলম্ব হওয়ায় সংক্রমণের হার স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভাগে এখন পর্যন্ত ৭৭ জন শিশুর হামে আক্রান্ত হওয়া নিশ্চিত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে বড় অংশই ৯ মাস বয়সের কম শিশু। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বাদ পড়া শিশুদের দ্রুত টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করছে।

হামের টিকাদান কর্মসূচি অনুযায়ী, শিশুরা ৯ মাস বয়সে প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাসে দ্বিতীয় ডোজ পায়। এছাড়া প্রতি তিন-চার বছর অন্তর আন্ডার ফাইভ শিশুদের জন্য একটি বিশেষ ক্যাম্পেইন চালানো হয়। তবে এবারের সংক্রমণ মূলত ৯ মাসের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে concentrated হওয়ায় সাধারণ টিকাদান কর্মসূচির বাইরে অনেক শিশু আক্রান্ত হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় ১৮ মার্চ রাজশাহী বিভাগের ১৫৩ জন শিশুর নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৪৪ জন পজিটিভ শনাক্ত হন, যার হার প্রায় ২৯ শতাংশ। সংক্রমণ রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও পাবনা জেলায় বেশি। ১ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত রাজশাহীতে ৮৪ জন শিশুকে আইসিইউতে নেওয়ার সুপারিশ করা হয়; এর মধ্যে আইসিইউতে নেওয়ার পর ৯ জন এবং অপেক্ষারত তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত তিন-চার বছরে অনেক শিশু হামের টিকা মিস করেছে, যার কারণে এ জেলায় সংক্রমণ বেশি দেখা দিয়েছে। জেলা হাসপাতালের শিশু বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মাহফুজ রায়হান জানিয়েছেন, অধিকাংশ আক্রান্ত শিশু ৯ মাসের কম বয়সী এবং টিকা গ্রহণ করেনি। তিনি জানান, সদর হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৯৫ শতাংশ শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

রাজশাহী সিভিল সার্জন ডা. এসআইএম রাজিউল করিম জানিয়েছেন, জেলার ৪৫ জন নমুনা পরীক্ষা করে ১০ জন পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন, যারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থভাবে বাড়ি ফিরে গেছে। গোদাগাড়ী উপজেলায় ১৪ শিশু আক্রান্ত হয়েছে। জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে ৬ থেকে ৯ মাস বয়সী শিশুরাই বেশি আক্রান্ত। আক্রান্তদের মধ্যে অনেক শিশু টিকা নেওয়ার আগেই সংক্রমিত হয়েছে। তিনি জানান, স্বাস্থ্যকর্মী ও কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে সন্দেহভাজন শিশুদের খুঁজে দ্রুত আইসোলেশনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং বাদ পড়া শিশুদের টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, টিকা প্রদানে বিলম্ব হয়েছে, যা সংক্রমণ বৃদ্ধির একটি কারণ। আগামী ২০২৬ সালের মে মাসে ২০২৫ সালের অক্টোবরের জন্য নির্ধারিত আন্ডার ফাইভ ক্যাম্পেইন পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। টিকা না পাওয়ায় আক্রান্তের হার বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে যারা টিকার উপযুক্ত বয়সে পৌঁছেছে তারা বেশিরভাগ আক্রান্ত হয়নি।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, গত বছরের তুলনায় হাম আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বেশি। সংক্রমণ মূলত দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে concentrated। শিশুদের চিকিৎসা চলমান এবং বাকি শিশুদের টিকা প্রদানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকা ও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলাগুলোতে নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026