শিক্ষা ডেস্ক
শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার জন্য সরকার চলমান পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন এবং নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে এই সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শিক্ষাকে দেশের উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সর্বাধিক অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। এজন্য পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন এবং নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা দলমতের প্রভাব নেওয়া হবে না। উচ্চমানের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এই কাজ সম্পন্ন করা হবে।
ড. এহছানুল হক মিলন আরও উল্লেখ করেন, চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য শারীরিক শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য এবং শিল্পকলা শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে। কেবল পাঠ্যবই হিসেবে নয়, এই বিষয়গুলোর ওপর নিয়মিত মূল্যায়ন পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ছোটোবেলা থেকেই সৃজনশীল এবং স্বাস্থ্য সচেতন হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের হাতে উন্নত ও মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষার মান বৃদ্ধি করা। সভায় এনসিটিবির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহবুবুল হক পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবির বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।