বাংলাদেশ ডেস্ক
বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তার শপথ গ্রহণ করান। অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতারা, কূটনীতিক এবং দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরকারপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই নির্বাচনে দলীয় অর্জিত সংখ্যাগরিষ্ঠতা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নতুন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশবাসী ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেক পরিচিত মুখও এই নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক স্ট্যাটাসে দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীর সাফল্য ও দেশের মঙ্গল কামনা করেছেন।
কনকচাঁপা তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, “আল্লাহ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে তাকে ও দেশবাসীকে সম্মানিত করেছেন। পুরো বিশ্ব এই ঘটনার সাক্ষী।” তিনি আরও দোয়া করেন, “আল্লাহ যেন তারেক রহমান এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে সুরক্ষিত, সুখী ও সমৃদ্ধ রাখেন।” পোস্টের শেষে ‘আমিন’ লিখে তিনি প্রার্থনা সম্পন্ন করেন।
শিল্পীর এই বার্তা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। দেশবাসীর পাশাপাশি সমর্থকরা তার পোস্টে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাচ্ছেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের এই সময়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পরিচিত ব্যক্তিদের প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান এর নেতৃত্ব দেশের সামগ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে দ্রুত পরিবর্তন আনতে পারে। এছাড়া, এই রাজনৈতিক পরিবর্তন আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও অর্থনৈতিক সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে, যা দেশের ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের উপস্থিত রাজনৈতিক নেতা ও কূটনীতিকরা আশাপ্রকাশ করেছেন যে নতুন সরকার দেশের উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে সুসংহত করতে কাজ করবে। একই সঙ্গে তারা নাগরিকদের সঙ্গে সংহতি বজায় রেখে রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সংক্ষিপ্তভাবে, দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে তারেক রহমান এর নেতৃত্ব গ্রহণকে অভ্যর্থনা জানানো হচ্ছে, যা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সাংস্কৃতিক প্রতিক্রিয়া এবং সামাজিক আলোচনায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।

