1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৭ মে সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি ও দক্ষতার স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারিত্বে আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে সংগীত শিক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত সরকারের খাল খনন কর্মসূচি জোরদার, ২০ হাজার কিলোমিটার লক্ষ্য নির্ধারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নববর্ষ–১৪৩৩ উদ্‌যাপনের প্রস্তুতি শুরু বাংলাদেশি জাহাজগুলোর হরমুজ প্রণালী পারাপত্তির অনুমতি দিয়েছে ইরান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পঞ্চম মেধাতালিকা প্রকাশ আইএলও মহাপরিচালক বাংলাদেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন

ইসরায়েলের সাঁজোয়া যান প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৫২ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের জন্য নতুন সাঁজোয়া যান ও ট্যাংক নির্মাণ প্রকল্পে সর্বোচ্চ ২ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত সামরিক সহায়তা দিতে পারে, এমন তথ্য উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর নথিতে। ইসরায়েলে নির্মাণাধীন এই নতুন সাঁজোয়া যান কারখানার অর্থায়নে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ইঙ্গিত করছে, যা দেশটির বার্ষিক ৩.৮ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তার পরিমাণকে আরও বাড়াতে পারে। এই সহায়তা ১০ বছর মেয়াদি চুক্তির অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

প্রকল্পটি ‘আর্মার্ড ভেহিকল অ্যাক্সেলারেশন প্রজেক্ট’ নামে পরিচিত এবং পাঁচ বছর মেয়াদী। এর আওতায় ইসরায়েল তাদের সাঁজোয়া যান বহর সম্প্রসারণের পাশাপাশি মেরকাভা ট্যাংক, নেমার ও এইতান ধরনের সাঁজোয়া যান উৎপাদনের হার বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। এসব যান ইতিমধ্যেই ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং দেশেই উন্নত করা হয়েছে।

ইসরায়েলি সরকারের প্রতিরক্ষা ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি গত আগস্টে গাজা ও লেবাননে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই প্রকল্প অনুমোদন দেয়। অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স (ইউএসএসিই)-এর দুটি উপস্থাপনায় ইঙ্গিত দেওয়া হয় যে প্রকল্পটির অর্থায়ন, পরিকল্পনা, নকশা ও নির্মাণকাজে যুক্তরাষ্ট্র জড়িত থাকতে পারে। ইউএসএসিই সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার জন্য কারিগরি, প্রকৌশল ও নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে, যার অর্থায়ন অনেক সময় মার্কিন সহায়তা থেকে আসে।

প্রাথমিকভাবে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার। তবে তখন কোনো বিদেশি অর্থায়নের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমানে সম্ভাব্য ২ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা যুক্ত হলে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েলের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।

ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা নতুন নয়। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামলা ও গাজা যুদ্ধের পরবর্তী দুই বছরে দেশটিকে সরাসরি ২১.৭ বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পরবর্তী বছরে অস্ত্র ও সেবা বিক্রির চুক্তির পরিমাণ এতে অন্তর্ভুক্ত নয়। ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের কস্টস অব ওয়ার প্রজেক্ট অনুযায়ী, এসব চুক্তির মূল্য প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অতিরিক্ত ২ বিলিয়ন ডলারের এই সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির সমর্থকদের মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী মিডল ইস্ট আই–এর মন্তব্যের অনুরোধে কোনো সাড়া দেয়নি। তবে হারেৎজকে তারা জানিয়েছে, “বর্তমানে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো আনুষ্ঠানিক জেএসএমসি কর্মসূচি নেই। তাই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যে কর্মসূচিগুলো বিবেচনা করছে, সে বিষয়ে প্রশ্ন তাদের কাছেই করা উচিত।”

উল্লেখ্য, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এটি ইসরায়েলের সামরিক প্রযুক্তি ও সাঁজোয়া যান উৎপাদন ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে এবং মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্য প্রভাবিত করতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026