1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

ইতালি বিশ্বকাপ থেকে বাদ, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ইতিহাসে ফিরল

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১৫ বার দেখা হয়েছে

ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপ প্লে-অফের ফাইনালে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৪-১ গোলে ইতালিকে হারিয়ে ১২ বছর পর আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফেরার যোগ্যতা অর্জন করেছে। জেনিকার বিলিনো পোলজে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময়ের পর স্কোর ছিল ১-১। টাইব্রেকারে বসনিয়ার চারটি গোলই ইতালিকে ছাপিয়ে দিয়েছে, ফলে সাবেক চ্যাম্পিয়নদের মধ্যে ইতালি তিনবার টানা বিশ্বকাপের প্লে-অফে ব্যর্থ হওয়া একমাত্র দেশ হিসেবে ইতিহাসে নথিভুক্ত হলো।

ম্যাচের শুরুতে ইতালির ১৫ মিনিটে সুবিধা আসে, যখন বসনিয়ার গোলকিপার নিকোলা ভাসিল ভুল পাস দেন। সেই সুযোগে নিকোলা বারেল্লা পাস দিয়ে ময়েজ কিনকে ফিনিশ করতে সাহায্য করেন, যা ইতালিকে ১-০ এগিয়ে দেয়। এরপরও ইতালি সমীকরণ ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়। জেনারো গাত্তুসোর নেতৃত্বে ইতালির খেলোয়াড়রা চেষ্টা চালালেও, রক্ষণে লাল কার্ড দেখা দেয়াল অ্যালেসান্দ্রো বাস্তোনির কারণে বসনিয়া সমতা ফেরায় ৭৯ মিনিটে হারিস তাবাকোভিচের গোল দিয়ে।

অতিরিক্ত সময়ে গোলশূন্য সমতা বজায় থাকলেও টাইব্রেকারে বসনিয়ার আধিপত্য স্পষ্ট হয়। পেনাল্টি শুটআউটে ইতালির পিও এসপোসিতো ও ব্রায়ান ক্রিস্তান্ত লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হন। অন্যদিকে, জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা কয়েকটি চমৎকার সেভ করেও টাইব্রেকারে চারটি গোল থামাতে পারেননি। এই ফলে বসনিয়ার জয় নিশ্চিত হয়।

বসনিয়ার এই জয়ের মাধ্যমে কেবল বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা নিশ্চিত হয়নি, তারা ১২ বছর পর আন্তর্জাতিক মঞ্চে শক্ত অবস্থান প্রদর্শন করল। ম্যাচ পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে গাত্তুসো বলেন, “এটা আমাদের জন্য, গোটা ইতালির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই ধাক্কা হজম করা সত্যিই কঠিন।”

ইতালির পারফরম্যান্স মোটেও বাজে ছিল না। বিশেষ করে ময়েজ কিনের গোল এবং দোন্নারুম্মার সেভগুলো ম্যাচকে সমতার দিকে টেনে আনার যথেষ্ট চেষ্টা করেছিল। তবে বাস্তোনির লাল কার্ড ও টাইব্রেকারে ব্যর্থতার কারণে ইতালির বিশ্বকাপে ফেরার স্বপ্ন শেষ হয়।

পরিসংখ্যানের আলোকে দেখা যায়, বসনিয়ার এডেন জেকো ৩০টি শট নেন, যার মধ্যে ১১টি পোস্টে লেগে ফেরে। অপরদিকে, ইতালির রক্ষণ ও দোন্নারুম্মা কিছুটা রক্ষা করলেও টাইব্রেকারের চাপ সামলাতে পারেননি। ইতালির এই ব্যর্থতা তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে তৃতীয়বারের মতো প্লে-অফে ব্যর্থ হওয়া হিসেবে নথিভুক্ত হলো।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026