1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৭ মে সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি ও দক্ষতার স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারিত্বে আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে সংগীত শিক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত সরকারের খাল খনন কর্মসূচি জোরদার, ২০ হাজার কিলোমিটার লক্ষ্য নির্ধারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নববর্ষ–১৪৩৩ উদ্‌যাপনের প্রস্তুতি শুরু বাংলাদেশি জাহাজগুলোর হরমুজ প্রণালী পারাপত্তির অনুমতি দিয়েছে ইরান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পঞ্চম মেধাতালিকা প্রকাশ আইএলও মহাপরিচালক বাংলাদেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন

খাল খনন কর্মসূচি জোরদার, ২০ হাজার কিলোমিটার লক্ষ্য নির্ধারণ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

দেশের পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে চলমান ১৮০ দিনের কর্মসূচিকে আরও গতিশীল করতে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। একই সঙ্গে ঝিনাইদহ ও ফেনী জেলায় নতুন দুটি খাল খনন কর্মসূচি শিগগিরই শুরু করার কথাও জানান তিনি।

বুধবার (১ এপ্রিল) দেওয়া এক বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং কৃষি খাতে পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে খাল পুনঃখনন ও নতুন খাল খনন কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও ভরাট হয়ে যাওয়া খালগুলো পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব হবে। নতুন দুটি খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী করবেন বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সার্বিক পানি ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন ঘটাতে বৃহৎ পরিসরে খাল খনন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। তিনি স্বীকার করেন, ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা, অবৈধ দখল এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বয় ঘাটতির মতো সমস্যাগুলো প্রকল্প বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এসব বাধা অতিক্রম করে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের বিষয়ে সরকার আশাবাদী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, দেশের খাল, নদী ও জলাশয় রক্ষায় সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। তিনি জানান, কোনোভাবেই এসব জলাধার দখল হতে দেওয়া হবে না এবং এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জলাধার সংরক্ষণে নিয়মিত নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে এবং দখল ও দূষণ রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসনে তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হবে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে যেসব এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে থাকে, সেখানে খাল খননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের পথ সুগম হবে। এতে করে কৃষি জমি দ্রুত চাষাবাদের উপযোগী হবে এবং ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

এছাড়া খাল পুনঃখনন ও নতুন খাল খনন কার্যক্রম পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে স্থানীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনর্ভরণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

সরকারের এ উদ্যোগ দেশের দীর্ঘমেয়াদি পানি ব্যবস্থাপনা কৌশলের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে খাল খনন ও সংরক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে তা শুধু কৃষি খাতেই নয়, বরং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026