1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৭ মে সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি ও দক্ষতার স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারিত্বে আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে সংগীত শিক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত সরকারের খাল খনন কর্মসূচি জোরদার, ২০ হাজার কিলোমিটার লক্ষ্য নির্ধারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নববর্ষ–১৪৩৩ উদ্‌যাপনের প্রস্তুতি শুরু বাংলাদেশি জাহাজগুলোর হরমুজ প্রণালী পারাপত্তির অনুমতি দিয়েছে ইরান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পঞ্চম মেধাতালিকা প্রকাশ আইএলও মহাপরিচালক বাংলাদেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন

বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

অর্থনীতি প্রতিবেদক

দেশকে ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বের করে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এই লক্ষ্য অর্জনে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করাই হবে সরকারের প্রধান কৌশল।

বুধবার (১ এপ্রিল) রাজধানীর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, অর্থনীতির বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে অতিরিক্ত মুদ্রা ছাপানোর পথে যেতে চায় না। বরং উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত হবে, যা সরাসরি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, জিডিপির আকার এবং কর-জিডিপি অনুপাতের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। অর্থনীতির কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য গতিশীল না হলে কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে। তাই অর্থনীতিকে সচল ও সম্প্রসারিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকারের আসন্ন বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রেও বিনিয়োগবান্ধব নীতিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, বাজেট এমনভাবে প্রস্তুত করা হবে যাতে বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রতি আস্থা রাখতে পারেন এবং দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগে আগ্রহী হন।

নীতিনির্ধারণে ধারাবাহিকতার অভাবকে দেশের বিনিয়োগ পরিবেশের একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, নীতির ঘন ঘন পরিবর্তন বিনিয়োগকারীদের কাছে অনিশ্চয়তার বার্তা দেয়, যা নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। ফলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য নীতিমালা নিশ্চিত করা জরুরি।

অর্থনীতিবিদদের মতে, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধি মডেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হয়। একই সঙ্গে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হলে অবকাঠামো উন্নয়ন, নীতি-স্থিতিশীলতা এবং ব্যবসা সহজীকরণ অপরিহার্য।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার মাধ্যমে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা, মুদ্রাস্ফীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার চাপ বিনিয়োগ প্রবাহে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ প্রেক্ষাপটে সরকার যদি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখে, তবে অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে ঋণনির্ভরতা কমে এসে একটি টেকসই ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে উঠতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026