1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৭ মে সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি ও দক্ষতার স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারিত্বে আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে সংগীত শিক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত সরকারের খাল খনন কর্মসূচি জোরদার, ২০ হাজার কিলোমিটার লক্ষ্য নির্ধারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নববর্ষ–১৪৩৩ উদ্‌যাপনের প্রস্তুতি শুরু বাংলাদেশি জাহাজগুলোর হরমুজ প্রণালী পারাপত্তির অনুমতি দিয়েছে ইরান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পঞ্চম মেধাতালিকা প্রকাশ আইএলও মহাপরিচালক বাংলাদেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন

বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারিত্বে আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেছেন, পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্ক ক্রমাগত শক্তিশালী হচ্ছে। তিনি জাপানকে বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মঙ্গলবার ঢাকায় জাপান দূতাবাসে জাপানের সম্রাটের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় দিবসের অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক গত কয়েক দশকে ধারাবাহিকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। শান্তি, সমৃদ্ধি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে দুই দেশের সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, জাপান বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে অবকাঠামো, জ্বালানি ও যোগাযোগ খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। দেশের বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে জাপানের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে জাপানের সহযোগিতার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ, শিক্ষা ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে জাপান বাংলাদেশের কর্মশক্তির সক্ষমতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষরকে তিনি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে অভিহিত করেন। এই চুক্তির মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে এবং উভয় দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য জাপানের অব্যাহত মানবিক সহায়তার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এই সংকটের একটি টেকসই ও শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন, যেখানে জাপানের সক্রিয় সম্পৃক্ততা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এছাড়া, দেশের সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সরকারের চলমান জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি জানান, সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষি কার্ড’ চালুর উদ্যোগ উল্লেখযোগ্য, যা নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠী ও কৃষকদের সহায়তা প্রদান করবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূতসহ বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026