1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০২:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির ইন্তেকাল রাজধানীতে টানা ভারী বর্ষণ: বিমানবন্দর সড়কে তীব্র জলাবদ্ধতা ও দীর্ঘ যানজট প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, বৃত্তি পেয়েছে ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে হার্ভার্ড-ক্যাম্ব্রিজের আদলে গড়ে তোলা হবে: শিক্ষামন্ত্রী লড়াইয়ে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, ম্যাচে মেসি ও রেফারির কথোপকথন নিয়ে আলোচনা টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালকে আরও জনবান্ধব করার ঘোষণা দুই মন্ত্রীর পলাতকদের ফিরিয়ে এনে দেশে বিচার সম্পন্ন করতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলমান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শোক হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের রাতভর বিমান হামলা বিজ্ঞাপনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার প্রকাশ করবে গুগল

অত্যাধুনিক টর্পেডোর পর মিয়ানমারকে সাবমেরিন দিচ্ছে ভারত

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৩১ জুলাই, ২০১৯
  • ২০৪ বার দেখা হয়েছে

মিয়ানমারকে নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিতে যাচ্ছে ভারত। নিজেদের নৌবাহিনীর বহরে থাকা একটি রাশিয়ান সাবমেরিন মিয়ানমারকে হস্তান্তর করতে যাচ্ছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। কিলো ক্লাসের এই সাবমেরিনটি খুব সম্ভবত এ বছরের মধ্যেই মিয়ানমারে পাঠাবে ভারত। এটি হস্তান্তর হলে মিয়ানমার নৌবাহিনী এটি প্রশিক্ষণে ব্যবহার করবে বলে জানা গেছে।

সূত্রের খবর, কিলো ক্লাসের এই সাবমেরিনটি ১৯৮০ সালে রাশিয়া থেকে কিনেছিল ভারত। যদিও বর্তমানে সাবমেরিনটিকে আধুনিকায়ন করার কাজ চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০১৯ সাল শেষ হওয়ার আগেই রুশ সাবমেরিনটিকে পুরো আধুনিকায়ন করা হবে এবং মিয়ানমারকে হস্তান্তর করবে ভারত।
এর আগে, চুক্তির দুই বছরের মধ্যেই মিয়ানমারের নিকট সাবমেরিন বিধ্বংসী অত্যাধুনিক হালকা টর্পেডো (টিএএল) ‘শেয়েনা’ হস্তান্তর করে ভারত। গত ১২ জুলাই মিয়ানমার নৌবাহিনীর কাছে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটির প্রথম চালান সরবরাহ করে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

মিয়ানমারে টর্পেডো রপ্তানির জন্য ২০১৭ সালে দেশটির সঙ্গে ৩৭ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছিল ভারত। এই চুক্তি অনুসারে টর্পেডোর প্রথম চালান মিয়ানমারে পৌঁছায়। ১৬ জুলাই ভারতের সামরিক এবং প্রতিরক্ষা নিউজ ওয়েবসাইটে এসব তথ্য নিশ্চিত করে।

ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ভারত ডায়নামিকস লিমিটেড (বিডিএল) এই উচ্চ প্রযুক্তির টর্পেডো বানিয়েছে। তবে মিয়ানমারে আসা টর্পেডোর সংখ্যা এবং দেশটির নৌবাহিনীর কোন বহরে প্রযুক্তিটি যোগ হবে, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

এই প্রযুক্তির টর্পেডো ভারতীয় নৌবাহিনীর ২৫ ইউনিটে আছে। এর ওজন ২২০ কেজি এবং দৈর্ঘ্য দুই হাজার ৭৫০ মিলিমিটার ও ব্যাস ৩২৪ মিলিমিটার। এতে উচ্চমাত্রার ৫০ কেজি পরিমাণ বিস্ফোরক ভর্তি থাকে। একইসঙ্গে এর কার্যকরী দূরত্ব সাত কিলোমিটার এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ৫৪০ মিটার পর্যন্ত।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026