1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আইএলও মহাপরিচালক বাংলাদেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশি ধর্মীয় বক্তা মিজানুর রহমান আজহারিকে দেশে প্রবেশের অনুমতি বাতিল করেছে মতলব উত্তরে মাজারের খাদেমকে কুপিয়ে জখম, হামলার ঘটনায় তদন্ত চলছে কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় জ্বালানি ট্যাংকে আগুন ইরানি নার্সসহ সহিংস সংঘাতের খবর, সামরিক হামলার পরিসংখ্যান প্রকাশ রবার্ট প্যাটিনসনের নতুন সিনেমায় দাম্পত্য জীবনের অস্থিরতা সোনার বাজারে আবারও উত্থান, ২২ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা পৌঁছাল এক-এগারো ও ক্রসফায়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের তদন্ত জোরদার একজন বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত ড্রোন হামলায় ইসরায়েলের নেতানিয়াহুর ছেলেদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়নের আহ্বান বিতর্কে

‘মাথা লাগবে’ গুজব ছড়ানোয় দু’জন গ্রেপ্তার

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০১৯
  • ২১৩ বার দেখা হয়েছে

ইসমাঈল ইমু : ‘পদ্মা সেতুতে মানুষের মাথা লাগবে’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন গুজব ছড়ানোর দায়ে রাজবাড়ীর পাংশা ও ভোলার চরফ্যাশন এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজবাড়ী থেকে গ্রেপ্তারকৃতের নাম পার্থ আল হাসান (১৬) ও ভোলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আব্দুল সহিদ হাওলাদারকে (২৪)।

ফেসবুকে পার্থ খান নামের একটি আইডি থেকে ‘পদ্মা সেতুতে মানুষের মাথা লাগবে’ এমন গুজব ছড়ানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাংশার পাট্টাতে ফরিদপুর র্যা ব-৮ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে পার্থকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়। পার্থের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৫/৩১ ধারায় মামলা দায়ের করে পাংশা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার বিকেলে ভোলায় মোবাইলে কল, ফেসবুকে পোস্ট ও ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে ‘মাথা কাটা’ ও ‘ছেলে ধরার’ গুজব ছড়ানোয় আব্দুল সহিদ হাওলাদারকে (২৪)গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে গুজব ছড়ানোর কাজে ব্যবহৃত স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত সহিদ হাওলাদার ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চর মাদ্রাজ ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের মো. আলী হাওলাদারের ছেলে।

চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আরেফিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে আবদুল শহিদ হাওলাদার বিভিন্ন এলাকার মানুষকে ফোন করে এবং ফেসবুকে পোস্ট ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে ‘শিশুদের মাথা কেটে নেয়া হচ্ছে, ছেলে ধরারা শিশুদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে’- এমন গুজব ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দোষ স্বীকার করেছেন এবং এ কাজে তার সঙ্গে আরও দুজন রয়েছে বলে জানান।

জিজ্ঞাসাবাদে সহিদ জানিয়েছেন, তাকে এ গুজব ছড়াতে কোনো একটি চক্র উৎসাহিত করেছে। ৮-১০ দিন ধরে জেলার বিভিন্ন মানুষকে ফোন করে, ফেসবুকে এবং ম্যাসেঞ্জারের গ্রাফিক্স ডিজাইনের মাধ্যমে ‘মাথা কাটা ছবি’, ভয়-ভীতিমূলক লেখা পোস্ট এবং ম্যাসেঞ্জারে পাঠিয়ে মানুষের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছিল।

সম্পাদনা: অশোকেশ রায়

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026