1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের বিস্তারিত তুলে ধরলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের বিস্তারিত তুলে ধরলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জলবায়ু অর্থায়ন ও তহবিল কার্যকরের তাগিদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিগত ২২ বছরে দেড় কোটির বেশি কর্মীর বৈদেশিক কর্মসংস্থান, তবে ফেরত আসাদের সঠিক তথ্য নেই প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে সফরসঙ্গী হচ্ছেন তথ্য ও পানিসম্পদ মন্ত্রী চীন সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সিইও’র সাক্ষাৎ সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন প্রতিভা অন্বেষণে ‘প্রতিভার সন্ধানে’ কার্যক্রম শুরু করছে সরকার বিদায়ী অর্থবছরে ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স, শীর্ষ উৎস যুক্তরাষ্ট্র মালয়েশিয়া সফর শেষে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর, বর্তমানে বেইজিংয়ে ঝিনাইদহে ট্রাক্টর-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ১, চালক গুরুতর আহত

বিক্রি হয়ে যাচ্ছে নদী

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১১৩ বার দেখা হয়েছে

জনসংখ্যা ও শিল্পায়ন বৃদ্ধিতে কমছে আবাদি জমি। বাড়ছে জমির চাহিদা ও দাম। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নদনদী, খাল দখল। ভরাট করে খোদ নদী প্লট করে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। দোকান তুলে আদায় করা হচ্ছে ভাড়া। কেউ নদী ভরাট করে তুলছেন অট্টালিকা। কোথাও বাঁধ দিয়ে নদীর প্রবাহ বন্ধ করে মাছ চাষ করছেন প্রভাবশালীরা। এ ছাড়া প্রতিনিয়ত নদী দখল করে উঠছে নতুন নতুন স্থাপনা। ফলে দেশের ধমনি হিসেবে পরিচিত নদীগুলোর মৃত্যু ঠেকানোই যাচ্ছে না। এরই মধ্যে দেশের মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে ৫ শতাধিক নদনদী। এতে আগ্রাসি হচ্ছে বন্যা পরিস্থিতি। সেচ সংকটে ঝুঁকির মুখে কৃষি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে ‘নদী বাঁচলে দেশ বাঁচবে’- এই বক্তব্য সামনে রেখে নদী উদ্ধারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ায় ২০১৯ সালে জোরেশোরে শুরু হয় নদী উদ্ধার অভিযান। পরবর্তীতে অজ্ঞাত কারণে অভিযানের গতি কমে যায়। বর্তমানে একদিকে চলছে ঢিমেতালে উদ্ধার অভিযান, অন্যদিকে চলছে পুনর্দখল। উদ্ধার-পুনর্দখলের খেলায় গত চার বছরে শুধু রাজধানী ঘিরে থাকা তুরাগ, বুড়িগঙ্গা, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী চারটি উদ্ধার সম্পন্ন করতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।

রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমরা জরিপ করে স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশে ১ হাজার ২৭৪টি নদীর হদিস পেয়েছি। নদীগুলোর নামসহ তালিকাও প্রকাশ করেছি। নদী রক্ষা কমিশন গত মাসে ৯০৭টি নদীর খসড়া হিসাব প্রকাশ করেছে। অর্থাৎ ৩৬৭টি নদীর খোঁজই মেলেনি। যেসব নদীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেগুলোর বড় অংশই এখন মৃত। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে নদী দখল থামবে না। তিনি বলেন, নদী রক্ষা কমিশন ২০১৮ সালে ৫৭ হাজার নদী দখলদারের তালিকা করার পর নদী উদ্ধারে কিছু পদক্ষেপ দেখেছি। কিছুদিন পরই তা থেমে যায়। আমরা বিভিন্ন অঞ্চল পরিদর্শন করে দেখেছি, তালিকা প্রকাশের পর নদী দখলের হার আরও বেড়েছে। ফলে দখলদারদের তালিকাটিও এখন আংশিক।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026