1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সামাজিক মাধ্যমে ঢালিউড অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর গুজব চট্টগ্রামের খুলশীতে প্রাইভেটকার চাপায় এক ব্যক্তি নিহত উত্তর-পূর্ব আলজেরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ১২ জনের মৃত্যু ও ৫৪ জনের আহত হওয়ার ঘটনা চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে সীমান্তে ৬ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি ফ্রান্সে অবকাশ যাপনে তাসনিয়া ফারিণ, প্যারিসের দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখছেন অভিনেত্রী নাটোরে পায়ুপথে বিশেষ কৌশলে হেরোইন বহনের সময় দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব ছাড়ছেন টিম কুক, নতুন দায়িত্বে জন টার্নাস রংপুরে একই পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনায় আদালতে দেওয়া আসামিদের জবানবন্দি প্রকাশ সৌদি আরবের মক্কা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা, সর্বোচ্চ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি হুলিয়ান আলভারেজকে দলে ভেড়াতে ১০০ মিলিয়নের প্রস্তাব বহাল রাখল বার্সেলোনা

জলবায়ু অর্থায়ন ও তহবিল কার্যকরের তাগিদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
  • ২৬ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় অংশীদারত্ব, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং যৌথ অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য ক্ষয়ক্ষতি তহবিল (লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড) দ্রুত বাস্তবায়ন এবং সবুজ জলবায়ু তহবিল (গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড) কার্যকর করার তাগিদ দিয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার চীনের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’ সম্মেলনের ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন এ শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক সেশনে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে এই সেশনটি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তোলা কোনো একক দেশের পক্ষে সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা, সহজ শর্তে অর্থায়ন এবং উন্নত প্রযুক্তির সহজলভ্যতা। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় শুধু প্রশমন (মিটিগেশন) নয়, বরং অভিযোজন (অ্যাডাপটেশন) প্রক্রিয়াকেও সমভাবে প্রাধান্য দিতে হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা বদ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

এর আগে সম্মেলনস্থলের দ্বিপক্ষীয় কক্ষে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আলোইস জভিংগি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে ডব্লিউইএফ প্রধান বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বিশ্ব জলবায়ু আলোচনায় বাংলাদেশের উত্থাপিত বিষয়গুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, চীনের ডালিয়ান শহরে ২৩ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের এই গ্রীষ্মকালীন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন’। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সম্মেলনে বৈশ্বিক অর্থনীতি, শিল্প কাঠামোর রূপান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও উদীয়মান প্রযুক্তির প্রায়োগিক দিক, যুব কর্মসংস্থান এবং পরিবেশগত সংকটের মতো সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বজুড়ে দ্রুত প্রযুক্তির অগ্রগতি ঘটলেও এর অর্থনৈতিক সুফল সব অঞ্চলের মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছাচ্ছে না। এই ব্যবধান কমিয়ে আনার কৌশল নির্ধারণই এবারের সম্মেলনের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা। এবারের উচ্চপর্যায়ের এই সম্মেলনে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তাসহ প্রায় ১ হাজার ৭০০-এর অধিক প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের এই অংশগ্রহণ বৈশ্বিক জলবায়ু কূটনীতি ও দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026