1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৪২, আহত ১৬৭০০ সরকারি ক্রয় কার্যক্রম সংস্কারে নতুন উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন সরকারি ক্রয় কার্যক্রম পর্যালোচনা ও শক্তিশালীকরণে উচ্চপর্যায়ের নতুন কমিটি গঠন ডিএমপির ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগে নতুন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ওসমান গনি কিয়েভে রাশিয়ার বিমান হামলায় নিহত ৭, বিধ্বস্ত একাধিক আবাসিক ভবন রেকর্ড দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজারদর সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটি পুনর্গঠন, সভাপতি আইনমন্ত্রী ফিফা বিশ্বকাপে ঐতিহাসিক জয়, ব্রাজিলকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের প্রথম জানাজা সম্পন্ন, ঢাবিসহ বিভিন্ন স্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন আজ বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর দেশবাসী ও সমর্থকদের কাছে মারকিনিওসের ক্ষমা প্রার্থনা

রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় চাঁদাবাজি বাংলাদেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৩০ জুলাই, ২০২২
  • ১২৯ বার দেখা হয়েছে

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদাবাজি হয়। সেই সঙ্গে আমলাতান্ত্রিক অদক্ষতা প্রায়ই বাংলাদেশে বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ কান্ট্রি কমার্শিয়াল গাইড-২০২২-এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন থেকে এই গাইড প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বাংলাদেশে ব্যবসা করতে গেলে একটি কোম্পানিকে কোন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে তার উল্লেখ রয়েছে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য আগ্রহের বিভিন্ন খাতে তাৎপর্যপূর্ণ সম্ভাবনাগুলোও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

গাইডে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি একটি সাধারণ ঘটনা। এ ছাড়া এখানে ব্যবসার অন্যান্য প্রতিবন্ধকতার মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর ডাকা পরিবহন অবরোধ, যা শ্রমিকদের দূরে রাখতে পারে। ফলে পণ্য সরবরাহ অবরুদ্ধ হতে পারে, আর এই কারণে উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায়। এ ধরনের অবরোধের সময় যানবাহন ও অন্যান্য সম্পত্তি ভাঙচুর বা অগ্নিসংযোগের ঝুঁকি এবং ব্যবসায় লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। গাইডলাইনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে জমিসংক্রান্ত বিরোধ একটি সাধারণ ঘটনা। বেশকিছু মার্কিন কোম্পানি এবং নাগরিক প্রতারণামূলক জমি বিক্রির বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন। উদাহরণস্বরূপ বলা হয়েছে, জমির প্রকৃত মালিক যখন বাংলাদেশের বাইরে বসবাস করছিলেন, তখন বিক্রেতা জালিয়াতির মাধ্যমে মালিকানা দাবি করে সরল বিশ্বাসের ক্রেতার কাছে জমি হস্তান্তর করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতি একটি গুরুতর প্রতিবন্ধকতা হিসেবে রয়ে গেছে। যদিও সরকার ঘুষ, আত্মসাৎ এবং অন্যান্য ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য আইন প্রতিষ্ঠা করেছে, তবে যথাযথ প্রয়োগ নেই।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, আমলাতান্ত্রিক অদক্ষতা প্রায়ই বাংলাদেশে বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করে। নিয়ন্ত্রক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার অভাব দেশে প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের হতাশ করতে পারে। বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদফতর এবং বিভাগে শীর্ষ ও মধ্য-স্তরের কর্মকর্তাদের ঘন ঘন বদলি, কৌশলগত সংস্কার উদ্যোগ এবং রুটিন দায়িত্ব সময়মতো কাজের বাস্তবায়নে বাধা দেয়।
বর্তমান আইনের অধীনে মুনাফা এবং বাহ্যিকভাবে অর্থ প্রদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, বাংলাদেশ থেকে বহির্মুখী স্থানান্তরে জটিলতা থেকে যায়। একইভাবে মুনাফা বা লভ্যাংশ ফেরত দেওয়ার আবেদনে অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহ বা কর নিয়ে বিরোধের জন্য বিলম্বিত হতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কখনো কখনো বহুজাতিক কোম্পানির সঙ্গে জড়িত কয়েক দশকের পুরনো ট্যাক্সের মামলা বিশেষ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে পুনরায় চালু করেছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সূত্রগুলো থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এই গাইডলাইন প্রস্তুতের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের অর্থনৈতিক বিভাগ।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026