1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিলেটে মার্কিন বিনিয়োগ ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে গভীর মতবিনিময় করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন দামেস্কে বিস্ফোরণের মধ্যেও ফরাসি প্রেসিডেন্টের সিরিয়া সফর অব্যাহত বাংলাদেশ ও বিমসটেক মহাসচিবের বৈঠক: আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ের প্রধান পরীক্ষা ‘এনএস১’ (NS1) আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বিনামূল্যে করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে ইতিহাসের সবচেয়ে কার্যকর সংসদ করার আহ্বান চিফ হুইপের লিবিয়ায় বন্দি ১৭৪ অনিয়মিত বাংলাদেশি দেশে প্রত্যাবর্তন জাপানি স্থপতির নকশায় শিশু গ্রন্থাগার নির্মাণ দ্রুত করার আশ্বাস হাইওয়ে পুলিশের নতুন অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে ফারুক আহমেদের দায়িত্ব গ্রহণ যুক্তরাজ্যের সাথে সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ: নারী উন্নয়ন ও লিঙ্গ সমতা অর্জনে যৌথ উদ্যোগের ঘোষণা

করোনাকালে ১৬০০ ডিজিটাল বৈঠকে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৮ জুন, ২০২২
  • ১৩৪ বার দেখা হয়েছে

করোনাকালে দুই বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক হাজার ৬০০টি ডিজিটাল বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ তথ্য জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সম্পূরক প্রশ্নের সুযোগ নিয়ে এ সংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য খালেদা খানম। জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সবাই শুনলে অবাক হবেন। বিগত দুটি বছরে বিশ্বের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি দুই বছরে এক হাজার ৬০০টি ডিজিটাল বৈঠকে উপস্থিত থেকেছেন। মন্ত্রিসভা, একনেক, রাজনৈতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে এসব বৈঠকে তিনি উপস্থিত ছিলেন। তার দিকনির্দেশনার ফলে সঠিক সমন্বয়ের কারণে করোনা মোকাবেলায় বিশ্বে পঞ্চম স্থানে আছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যদি ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন না করতেন করোনাকালে গত দুই বছরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রশাসনিক কার্যক্রম, বাণিজ্যিক কার্যক্রম এমনকি বিচারিক কার্যক্রম চালানো সম্ভব হতো না। ২০১৮ সালে চালু হওয়া ‘৩৩৩’ সেবার মাধ্যমে করোনাকালে শেখ হাসিনার আহ্বানে কর্মহীন, নিম্নবিত্ত মানুষদের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ৩৩৩ কলসেন্টার না থাকলে আমাদের ডক্টর স্কুল তৈরি করা, টেলিমেডিসিন সেবা ও খাদ্য সহায়তা দেওয়া কঠিন হয়ে যেত।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026