1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিটি করপোরেশন বহির্ভূত বিরোধী দলীয় আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব ৩২ জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেললাইনের ওপর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: তিন ধাপে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের রূপরেখা ঘোষণা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল যাত্রাবাড়ীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৩ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিওন চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

চিরিরবন্দরে‘লতি রাজ’ কচুতে ভাগ্য ফেরালেন মনজের আলী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই, ২০১৭
  • ২২৩ বার দেখা হয়েছে

মোহাম্মাদ মানিক হোসেন চিরিরবন্দর(দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
অভাবের সংসারে ভাগ্য ফেরালেন লতিরাজ কচু। কচু চাষাবাদ করেস্বাবলম্বী হয়ে বেশ ভালোই আছেন দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের সাতনালা গ্রামের জসিনেম্বার পাড়ার মো: মনজের আলী।মৃত বাবার আজগার আলীর ২৫ বছরের পুরোনো এই কচু চাষবাদকে আকরে ধরেই নিজেকে পাল্টে দিয়েছেন মনজের আলী। কচু চাষ তার ভাগ্য বদলে দিয়েছে। তাকে দেখে ও পরামর্শ নিয়ে ওই এলাকার বিভিন্ন জায়গার অনেকেইকচুর আবাদ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন।কৃষক মনজের দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে লতিরাজ কচু চাষে বেশ ভালোই দিন কাটাচ্ছেন।
বাবা মারা যাওয়ার পর বাবার রেখে যাওয়া জমিতে১০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে মনজের আলীপুনরায় কচু চাষ শুরু করেন। এখন তিনি উপজেলার সফল ‘লতি রাজ’ কচু চাষি। চার বিঘা জমিতে কচুর চাষ করছেন তিনি। মাসিক আয় লাখ টাকা ছাড়িয়ে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা মনজের আলীর কাছ থেকে চারা ও পরামর্শ নিয়ে ‘লতি রাজ’ কচুর চাষ করছেন।সম্প্রতি জসিনেম্বার পাড়ায় গিয়ে দেখা যায়, মনজের আলী কচু জমি থেকে তুলে বাজারজাত করার জন্য পরিস্কারকরছেন। তিনি জানায় প্রথম দিকে আমি ২৫ শতক জমিতে স্বল্প পরিসরে কচু চাষ শুরু করি । শুরুতেই আমি কচু চাষে বেশ লাভবান হলে পরের বছর নিজের ২৫ শতক জমির সাথে অন্যনের সাড়ে তিন বিঘা জমি বর্গা নিয়ে মোট ৪ বিঘা মাটিতে‘লতি রাজ’ কচুর চাষ শুরু করি । কচু চাষ করতে খুব তেমন বেশী মজুরি খরজ হয় না তিনি বলেন, কচুর চারা রোপনের ২০ দিন পর পর ৬ মাস পর্যন্ত হালকা নিড়ানি দিতে হয় । কচু গাছের যখন তিন মাস বয়স হয় তখন গাছের গড়ায় যে লতি বের হয় তা কেজি প্রতি খুচরা বিক্রি হয় ৩০ থেকে ৪০ টাকা । ৪ বিঘা জমিতে আমি প্রায় লতি বিক্রি করি ৬০ হাজার টাকা। কচু গাছের ৬ মাস বয়স সর্ম্পুন হলে তা বাজারজাত করার উপযোগী হয়। এক একর জমিতে কচু গাছ হয় প্রায় ১২ হাজার যার প্রতিটি কচু পাইকারি মূল্য ২০ থেকে ৩০ টাকা হলেমোট কচু বিক্রি হয় প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এক একরজমিতে কচু চাষেমজুরি খরজ ও যাতায়েত খরজসহ মোট উৎপাদন খরজ হয় ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা। একর প্রতি কচু চাষে লাভ হয় প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। মনজেরের বাড়ি থেকে অনেক পাইকাররা কচু নিয়ে যায় জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ স্থানীয় হাট-বাজারে। তিনি আরো বলেন‘লতিরাজ’ কচুর চাষ করে তিনি কিছু ধানি জমিও কিনেছেন। এ ছাড়া আধাপাকা বসতবাড়ি তৈরি করেছেন।কচু চাষে মনজেরের কাছ থেকে বুদ্ধি-পরামর্শ নেন এলাকার অনেক কৃষকরা।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার ও কৃষিবিদমো: মাহমুদুল হাসান জানান, মনজের দারিদ্র্য জয় করেছেন। লেখাপড়া না জানলেও তিনি উপজেলার সবার কাছে অনুকরণীয়। চিরিরবন্দরের অনেক এলাকায় বর্ষাকালীন সময়ে কচু চাষের যথেষ্ট উপযোগী। ইতিমধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে দেশি কচুর পাশাপাশি আমরা লতিরাজ নামের একটি কচু কৃষকদের আবাদের পরামর্শ দিয়েছি। যার সুফল এখন সংযোজন হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026